ডিবিএইচের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১৫ পিএম, ০৬ মে ২০২১

২০২০ সালের সমাপ্ত বছরের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ (১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাং বোনাস) প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন লিমিটেডের (ডিবিএইচ) শেয়ারহোল্ডাররা।

সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারা লভ্যাংশ প্রদানের এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য এটাই বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ২০২০-এর জন্য অনুমোদিত সর্বোচ্চ লভ্যাংশ প্রদানের সীমা।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত ডিবিএইচ-এর এ সভায় কোম্পানির চেয়ারম্যান নাসির এ চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। সভায় ড. এ এম আর চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের মধ্যে মেহেরীন হাসান, মুজিবর রহমান, মঈন উদ্দিন আহমেদ, এম আনিসুল হক, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, মিসেস রাশেদা কে চৌধুরী, মেজর জেনারেল সাইয়িদ আহমেদ (অব.), ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নাসিমুল বাতেন, কোম্পানি সচিব জসিম উদ্দিন এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা অংশ নেন।

সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ব্যাবস্থাপনা পরিচালক নাসিমুল বাতেন ক্রেডিট রেটিং এ টানা ১৫ বার ‘ট্রিপল-এ’ অর্জনের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এ অর্জন আর্থিক খাতে ডিবিএইচ-কে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। গৃহ ঋণ প্রদানকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিবিএইচ পরিচালন মুনাফায় ২০২০ সালে আগের বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। খেলাপি ঋণের পরিমান মোট ঋণের শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে কমে শূন্য দমশিক ৪১ শতাংশ হয়েছে। তারপরও কোভিড পরিস্থিতি বিবেচনা করে ডিবিএইচ ১৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রভিশন করেছে। তা সত্ত্বেও ডিবিএইচ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বোচ্চ লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে।

সভায় নাসির এ চৌধুরী পরিচালকদের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন তুলে ধরেন। আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরে কোম্পানির করপরবর্তী মুনাফা দাঁড়ায় ৮৯ কোটি টাকায়। এই সময়ে কোম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৫ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা এবং ব্যবস্থাপনাধীন তহবিলের পরিমান দাঁড়ায় ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা।

করোনার কারণে ব্যবসা পরিচালনার প্রতিকূল অবস্থা সত্ত্বেও কোম্পানির আয় নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নাসির চৌধুরী বলেন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে সকল কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, তা কোম্পানির আয় বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এইচএস/এএএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]