শেষ সময়ে বেড়েছে জায়নামাজ, টুপির বেচাকেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:২৫ পিএম, ১৩ মে ২০২১ | আপডেট: ১১:২৯ পিএম, ১৩ মে ২০২১

ঈদের নামাজকে সামনে রেখে বিক্রি বেড়েছে জায়নামাজ, আতর ও টুপির।

বৃহস্পতিবার (১৩ মে) মিরপুরের বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে এমন্দত দেখা গেছে।

মসজিদের সামনে ও মার্কেটের সামনে অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হয় এসব। শেষ সময়ে ক্রেতা বেশি হওয়ায় একদামেই পণ্য বিক্রি করেন বিক্রেতারা।

মিরপুর ১০ নম্বর শাহ আলী মার্কেটের পিছনে টুপি, আতর, জায়নামাজ বিক্রি করেন শাদাব আহমেদ।

তিনি বলেন, ঈদের আগের রাতে টুপি, আতর বিক্রি বাড়ে। ডিজাইন ভেদে ১০০ টাকা শুরু করে ২০০০ টাকায় টুপি বিক্রি হয়। কাপড়ের ও বাংলাটুপির চাহিদা বেশি। কাপড় ভেদে এসব টুপির দাম ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। দেশি, পাকিস্তান, সৌদি আরবসহ নানা দেশের টুপি বিক্রি হয়।

এদিকে ঈদের নামাজে বিভিন্ন ধরনের আতরের কদর রয়েছে মসুলমানদের মাঝে। মিশক আম্বর, কস্তূরী, আমির আল-উদ, আগর নামের আতর বিক্রি হয় বেশি।

বিক্রেতারা বলছেন, তিন গ্রামের এক শিশি আতর প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ৩ হাজার টাকার বেশি দামে।

এছাড়া সাড়ে ৫শ' থেকে আড়াই হাজার টাকায় জায়নামাজ বিক্রি হয়।

ক্রেতারা বলছেন, মসজিদে জায়নামাজ নিয়ে যেতে হয়, তাই তুলনামূলক জায়নামাজ বেশি চলেছে।

মিরপুর ১২ নম্বরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মসজিদের সামনের ফুটপাতে তসবিহ, আতর, জায়নামাজ বিক্রি হয়।

চাকরিজীবী নুরুল আমিন জানান, সব কিছুই কেনা হয়েছে। জায়নামাজ ও টুপি কেনা বাকি ছিল, সেগুলো কিনতে এখানে আসা। দুই বাচ্চার জন্য জায়নামাজ ও টুপি কিনেছি।

এছাড়া বিক্রি হয় বিভিন্ন ধরনের তসবিহও। কোনটা কাঠের, কোনটা পাথরের আবার কোনটা পুতির তৈরি। এসব তসবিহ সর্বোচ্চ দুইশো থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

এসএম/জেডএইচ/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]