বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত নেই : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৫৪ পিএম, ২৭ জুন ২০২১

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, দেশে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত নেই। একেবারে নেট টু নেটে রয়েছে। কোভিড পরিস্থিতি না থাকলে এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা কষ্ট কর হয়ে যেত।

রোববার (২৭ জুন) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। কয়লাভিত্তিক ১০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কোনো সারপ্লাস (উদ্বৃত্ত) নেই। আমি ১৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত দিতে পারি, আর আমার সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট ক্যাপটিভ আছে। তাহলে প্রায় ১৯ হাজার মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ এখন আমি দিচ্ছি। তাহলে হাতে আছে ৪ মেগাওয়াট। ১০ শতাংশ আমাকে ডিমেডেট রাখতে হবে। আমি কিন্তু একেবারে নেট টু নেটে আছি।’

তিনি বলেন, ‘অনেকে বলে ৪-৫ হাজার মেগাওয়াট সারপ্লাস আছে। আমি খুঁজে পাই না যে কোথায় আছে। আজকে যদি এই মুহূর্তে ১৫ হাজার লাগে, আমি দিতে পারবো না। এ রকম অবস্থায় আছি। বৃষ্টি হচ্ছে এই সময়েও ১২ হাজার, সাড়ে ১২ হাজার চলে যাচ্ছে। কোভিড সিচুয়েশন যদি না থাকতো, তাহলে ১৫-১৬ হাজার যেত। তাহলে কিন্তু ডিফিকাল্ট হতো।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের যে পাওয়ার প্ল্যান্ট আছে তাতে ১০-১৫ শতাংশ হাতে রাখতে হবে। কারণ পাওয়ার যখন-তখন ওঠা-নামা করে। যার জন্য এটাকে কাভারআপ করতে গ্রিড ব্যালেন্সের জন্য আমাদের রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, যদি কোনো পাওয়ার প্ল্যান্ট আমরা ভবিষ্যতের জন্য কন্টিনিউ করি, যেগুলো আমরা ক্ষুদ্র মেয়াদে নিয়ে এসেছিলাম, সেগুলোকে অবশ্যই নো পেমেন্ট, নো ইলেকট্রিসিটি বেসিসে আমরা রাখবো। যদি ইমারজেন্সি প্রয়োজন হয়, তখন ব্যবহার করবো।’

সোলার বিদ্যুৎ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সোলার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারে না। যারা বাইরে থেকে বলছে বাংলাদেশ পুরো সোলার দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, তাদেরকে বলবো আপনারা এসে শুরু করেন। সোলার বিদ্যুৎ তো এই আছে, এই নাই। তারপর দাম কতো হবে, প্রায় ৩২ টাকা হবে। আমার তো দরকার সহজে বিদ্যুৎ পৌঁছানো। এটা সোলার হোক, ইলেকট্রিসিটি লাইন হোক। বিদ্যুৎ দিলেই ডেভেলপমেন্ট বাড়বে, তাই তো দেখা যাচ্ছে।’

এমএএস/ইএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]