প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ২৮ জুন ২০২১

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, করোনা মহামারির মধ্যে দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকা সচল রাখতে মন্ত্রণালয়ের দফতর-সংস্থার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত আয়ের শিল্পসমৃদ্ধ দেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সে জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে।

সোমবার (২৮ জুন) শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর-সংস্থার মধ্যে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর (এপিএ) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আবুল খায়ের।

এ সময় শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, এপিএর বাস্তবায়ননির্ভর করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার ওপর। সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দফতর-সংস্থা চালু রাখতে হবে। দফতর-সংস্থার সাফল্যই মন্ত্রণালয়ের সাফল্য।

দফতর-সংস্থার প্রধানদের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক ড. মো. নজরুল আনোয়ার এবং বিআইএমের মহাপরিচালক তাহমিনা আখতার। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ও এর প্রেক্ষাপটের ওপর উপস্থাপনা করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১২টি দফতর-সংস্থার প্রধানদের সাথে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্প প্রতিমন্ত্রী শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর-সংস্থার প্রধানদের উদ্দেশে বলেন, অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। প্রকল্পের সময়সীমা বৃদ্ধি করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কেননা প্রকল্পের সময়সীম বৃদ্ধি পেলে ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়। রাষ্ট্রায়ত্ত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে হবে এবং বন্ধ প্রতিষ্ঠানকে চালু করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে শিল্পসচিব বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। এপিএ বাস্তবায়নে পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে হবে। রূপকল্প ২০৪১ অর্জন করতে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। সঠিক সুপারভিশন ও মনিটরিং এপিএ বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে।

এনএইচ/বিএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]