বিশেষ তহবিলের অর্থ গ্রিন সুকুকে বিনিয়োগ করা যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৪ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিশেষ তহবিল গঠন এবং বিনিয়োগ নীতিমালা সংশোধন করে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল থেকে গ্রিন সুকুকে বিনিয়োগের সুযোগ থাকছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন-ডিওএস থেকে সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত নির্দেশনাসহ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

একই বিভাগ থেকে অপর এক নির্দেশনায় বিশেষ তহবিল গঠন এবং বিনিয়োগ সুবিধা নেওয়ার সময় আগামী ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যা আগে ছিল ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের সম্পূর্ণ অংশ ন্যূনতম ৭০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ইস্যু করা তালিকাভুক্ত বা সাবস্ক্রিপশন ক্লোজিংয়ের তারিখ হতে এক বছরের মধ্যে তালিকাভুক্ত হবে, এমন ১০০ শতাংশ অ্যাসেট ব্যাকড গ্রিন সুকুকে বিনিয়োগ করা যাবে। এক্ষেত্রে ইসতিসনা সুকুক, সালাম সুকুক, ইজারাহ সুকুক ছাড়াও একাধিক সুকুকের সমন্বয়ে গঠিত কোনো হাইব্রিড সুকুকে বিনিয়োগ করা যাবে।

সুকুকের তহবিল: পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ মার্জিনে ঋণপত্র খুলতে হবে। পণ্য ১২০ দিনের মধ্যে জাহাজীকরণ বা সরবরাহ করার শর্ত থাকতে হবে। সব স্থানীয় ব্যয় যদি থাকে, ছয় মাসের মাধ্যে পরিশোধ করতে হবে। প্রকল্প উন্নয়নে সর্বোচ্চ আট মাস সময় বরাদ্দ থাকবে। সুকুক সাবস্ক্রিপ্টশন ক্লোজিংয়ের তারিখ হতে এ সময়সীমা কার্যকর হবে। সুকুকের তহবিল ‘স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল’ বা এসপিভি নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ওই ব্যাংক হিসাব থেতে সুকুকের জন্য নির্ধারিত ব্যয় ছাড়া অন্য কোনো খাতে খরচ বা কর্জ দেওয়া যাবে না।

অন্যান্য শর্ত: প্রাইভেট প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে কোনো কারণে বিএসইসি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুকুকের সাবস্ক্রিপশন সম্পূর্ণ না হলে বা সুকুক ইস্যুর বিষয়টি বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট এসপিভির এক সপ্তাহের মধ্যে বিনিয়োগকারী ব্যাংকসমূহকে পুরো অর্থ ফেরত দিতে হবে। এ বিষয়ে সুকুকের ট্রাস্টি, এসপিভি এবং বিনিয়োগকারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করতে হবে। সেকেন্ডারি মার্কেটের মাধ্যমে বা উভয় প্রকারে কোনো সুকুকের মোট ইস্যুর ১০ শতাংশের বেশি কোনো ব্যাংক বিনিয়োগ করতে পারবে না। কনভারটেবল সুকুকের ক্ষেত্রে কনভারশনের পর ইক্যুয়িটি ধারণ যাতে ১০ শতাংশের বেশি না হয়, বিনিয়োগকারী ব্যাংককে তা নিশ্চিত করতে হবে।

অতালিকাভুক্ত সুকুক: সাবস্ক্রিপশন ক্লোজিংয়ের তারিখ হতে এক বছরের মধ্যে তালিকাভুক্তির বিষয়ে ট্রাস্টি, এসপিভি, ইস্যুয়ার এবং বিনিয়োগকারী ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই করতে হবে। ডিওএস সার্কুলার নং-০১/২০২০ এ বর্ণিত বিনিয়োগের অনুপাত অনুসারে, সুকুক ব্যতীত সার্কুলারে বর্ণিত অন্য যে কোনো উপাদানে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ পরিমাণ ২০০ কোটি টাকার তহবিলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

ইএআর/এমকেআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]