অসাধু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় আনতে হবে: আতিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২১

যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পণ্য দেয় না তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম দারাজের সেলার সামিট ২০২১-এ আহ্বান জানান তিনি।

মেয়র বলেন, মানুষ নিরাপদ খাদ্য চায়, ভালো রাস্তা চায়। যারা অনলাইনে কেনাকাটা করে তারা সঠিক সময়ে তাদের পণ্য চায়। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়ে পণ্য দেয় না। অনলাইনে মানুষকে ঠকালে সৃষ্টিকর্তার দরবারে তার বিচার হবে।

তিনি বলেন, আমরা মানুষ ঠকিয়ে টাকা উপার্জন করবো, এটা কেমন ব্যবসা। এটা চিন্তা করা যায় না। একটা প্রতিষ্ঠানে বিশ্বাস করে একটা সেলার, একজন ক্রেতা ও তার পরিবার শেষ হয়ে গেলো? এটা কী ধরনের ব্যবসা? যারা এই ধরনের ব্যবসা করে তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এটা সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ। আমরাও যেন অতি লাভ না করি। বাই ওয়ান গেট ওয়ান শুনেছি। বাই ওয়ান গেট টেন এটা শুনিনি। এটা হতে পারে না। এটা আমাদের বুঝতে হবে। সবকিছু সরকারের দায়িত্ব না। নিজের চিন্তা নিজেকে করতে হবে।

করোনায় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই সময় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম খুব ভালো সাপোর্ট দিয়েছে। আমাদের ডিজিটাল গরুর হাটে তিন লাখের ওপর পশু বিক্রি হয়েছে। আমরা অনেকের সঙ্গে ব্যবসা করেছি কিন্তু যারা টাকা মেরে দিয়েছে তাদের সঙ্গে আমরা ব্যবসা করিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১১ নভেম্বর ‘ইলেভেন ইলেভেন’ (১১.১১) ক্যাম্পেইন উপলক্ষে দারাজ পেমেন্ট পার্টনারদের মাধ্যমে ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার করছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ১১ টাকা ডিল, ডাবল টাকা ভাউচারসহ আরও অনেক অফার। গত বছর ১১ নভেম্বর ১০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করলেও চলতি বছরের ১১ নভেম্বর ২০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির আশা দারাজের।

এ বিষয়ে দারাজ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মোস্তাহিদুল হক বলেন, বর্তমানে দারাজের সঙ্গে ৪০ হাজার বিক্রেতা এবং সহস্রাধিক ব্র্যান্ড যুক্ত আছে। পণ্য কেনাকাটায় গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক এবং সহজ সুবিধাদানের সঙ্গে সঙ্গে প্রতি মাসে ২০ লাখেরও বেশি পণ্য বিশ্বের সকল প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে দারাজ। দারাজ তার গ্রাহকদের জন্য একইসঙ্গে একটি বাজার, মার্কেটপ্লেস এবং কমিউনিটি।

তিনি বলেন, দারাজ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতাে, কেননা প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে ই-কমার্স সম্পর্কে পাঁচ হাজারেরও বেশি নতুন বিক্রেতাকে সচেতন করে তােলে। দারাজ বিভিন্ন লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে তাদের ই-কমার্স অপারেশনগুলােকে মাথায় রেখে ‘দারাজ এক্সপ্রেস’ (ডেক্স নামে পরিচিত) নামক নিজেদের লজিস্টিক কোম্পানি গঠন করেছে।

এসএম/ইএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]