পোশাকশিল্পে আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪০ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২১
ফাইল ছবি

পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্প একে অপরের পরিপূরক। টেক্সটাইল এবং পোশাকখাতে আরও পারস্পরিক সুবিধা লাভের জন্য এশিয়ার মধ্যে আঞ্চলিক ভ্যালু চেইন ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করেন তৈরি পোশাক মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো যদি একে অপরের পরিপূরক হতে পারি, তাহলে আমাদের একসঙ্গে বেড়ে উঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল’র ১৩তম সংস্করণে এসব কথা বলেন ফারুক হাসান। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) আয়োজিত ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নেন ভারতের বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম জারদোস, সিআইআই ন্যাশনাল কমিটি অন টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের চেয়ারম্যান দিলীপ গৌর, কো-চেয়ারম্যান কুলিন লালভাই, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্র্যান্ডিং লঙ্কা গ্রুপের পরিচালক সুচিরা সুরেন্দ্রনাথ, সিআইআই (উত্তর অঞ্চল) চেয়ারম্যান অভিমণ্য মুঞ্জাল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধির রূপকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ টেক্সটাইল উপাদানকে বৈচিত্রময় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে কটন থেকে নন-কটনে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। যার লক্ষ্য হচ্ছে পরিমাণ থেকে গুণমান এবং ভলিউম থেকে ভ্যালুতে ঘুরে দাঁড়ানো।

তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কটন থেকে নন-কটনে যাওয়ার মাধ্যমে পণ্যে বৈচিত্র্য আনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি, তাই বাংলাদেশ ভারতীয় এমএমএফ টেক্সটাইলগুলোর জন্য ভালো বাজার হতে পারে। আমরা যত বেশি পোশাক রপ্তানিতে উন্নতি করতে পারবো, ততই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, ডাইস, কেমিকেল এবং যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ভালো হবে। তিনি ভারত এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নন-কটন টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

ফারুক হাসান টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য এই অঞ্চলের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তির বিনিময়ের উপরও জোর দেন। তিনি বলেন, আমরা ২০০০ সালে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) নামে একটি ফ্যাশন-ডিজাইনিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। একটি উদ্ভাবন কেন্দ্রও স্থাপন করতে যাচ্ছি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো এবং ভারতের ফ্যাশন একাডেমিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে, যেখানে আমরা একে অপরের পরিপূরক হতে পারি।

ইএআর/কেএসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]