সিমেন্ট শিট রপ্তানিতে ৪ শতাংশ হারে প্রণোদনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৬ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০২১

নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত সিমেন্ট শিট রপ্তানির ক্ষেত্রে নিট এফওবি মূল্যের ওপর চার শতাংশ হারে প্রণোদনা দেবে সরকার। এক্ষেত্রে উৎপাদনকারী বা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রণোদনা পাবে।

বুধবার (১০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনাটি বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনের সকল অনুমোদিত ডিলারকে পাঠানো হয়েছে।

সিমেন্ট শিট রপ্তানির ক্ষেত্রে নিট এফওবি মূল্যের ওপর চার শতাংশ হারে প্রণোদনার পাশাপাশি স্থানীয় মূল্য সংযোজনের মাত্রাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, সিমেন্ট শিট রপ্তানির ক্ষেত্রে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের হার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ হতে হবে। তবে আলোচ্য খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও ডিউটি ড্র-ব্যাক বা শুল্ক বন্ড সুবিধা একসঙ্গে প্রযোজ্য হবে না।

রপ্তানি প্রণোদনার আবেদনপত্র দাখিলে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে রয়েছে- রপ্তানিকৃত পণ্যের হ্যান্ডেলিং, মানোন্নয়ন, প্রক্রিয়াজাতকরণে নির্বাহকৃত ব্যয় এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিবহন, ফ্রেইট চার্জ পরিশোধজনিত ব্যয়ের বিপরীতে ডব্লিউটিও বিধি অনুযায়ী প্রণোদনা দেওয়া হবে। রপ্তানি পরবর্তী পর্যায়ে প্রণীত দলিলাদি কিংবা ডকুমেন্টারি কালেকশনের মাধ্যমে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখায় রপ্তানিকারকরা প্রণোদনার জন্য আবেদনপত্র দাখিল করতে পারবেন। প্রণোদনার আবেদনপত্র বিদেশে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নস্ট্রো হিসাবে রপ্তানি মূল্য আকলনের (রপ্তানি মূল্য প্রত্যাবাসনের) তারিখের ১৮০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখায় দাখিল করতে হবে।

তবে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রণোদনা পরিশোধের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেগুলো হলো- বিধিবহির্ভূতভাবে প্রণোদনা পরিশোধ করা হলে পরিশোধকৃত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত পরিশোধকারী ব্যাংকের হিসাব থেকে আদায় করা হবে। সংঘটিত অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনিয়মের সঙ্গে রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের কোনো কর্মকর্তা যুক্ত থাকলে অথবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনিয়মে সহযোগিতা করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি বাজেট বরাদ্দের বিপরীতে ছাড়কৃত তহবিল থেকে প্রণোদনা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে প্রণোদনা বাবদ দাখিলকৃত আবেদনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুকূলে অর্থ প্রদান করা হবে।

ইএআর/কেএসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]