সবুজ কোম্পানি ক্যাটাগরিতে এসিইএস অ্যাওয়ার্ড জিতল বিএটি বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৫৭ পিএম, ২৮ নভেম্বর ২০২১

এশিয়ার অন্যতম সবুজ কোম্পানি ক্যাটাগরিতে সম্মানসূচক এশিয়া করপোরেট এক্সিলেন্স অ্যান্ড সাস্টেইন্যাবিলিটি অ্যাওয়ার্ড (এসিইএস) অর্জন করেছে বিএটি বাংলাদেশ। ইনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল ও গভর্ন্যান্স (ইএসজি) চর্চায় অবদানের জন্য এ পুরস্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিএটি বাংলাদেশ বলছে, দেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে এই অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এসিইএস অ্যাওয়ার্ডস এশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় স্বীকৃতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিভিন্ন শিল্পের পথিকৃৎদের প্রতিভাধর উদ্ভাবন, সক্ষমতা এবং সহনশীলতার মানদন্ডে এশিয়া করপোরেট এক্সিলেন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি অ্যাওয়ার্ড তার অষ্টম সংস্করণে সেরা করপোরেশনগুলোকে বিজয়ী নির্বাচন করেছে। ব্যবসায় কার্যক্রমে সব ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণকারী কোম্পানিগুলোকে ‘এশিয়ার শীর্ষ সবুজ কোম্পানি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

এক বিবৃতিতে বিএটি বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেহ্জাদ মুনীম বলেন, ‘আমরা এসিইএস অ্যাওয়ার্ডস ২০২১ বিজয়ী হতে পেরে আনন্দিত। বিএটি বাংলাদেশ সবক্ষেত্রে ইএসজিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে আসছে। এ ধরনের স্বীকৃতি সমাজ ও কোম্পানির অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে একটি সম্ভাবনাময় আগামী বিনির্মানের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রমাণস্বরূপ।

এ অঞ্চলে ১১০ বছর ধরে ব্যবসায় পরিচালনা করা বিএটি বাংলাদেশ বলছে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে টেকসই কৃষি কৌশল সম্পর্কে কৃষকদের অবগত করার লক্ষ্যে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে সারাদেশে প্রায় ১১ দশমিক ৫ কোটি চারা বিতরণ করেছে। ২ লাখ ৭০ হাজারের অধিক গ্রামীণ জনগণকে আর্সেনিক ও অন্যান্য বিষাক্ত উপাদানমুক্ত নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করছে বিএটি। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্গম এলাকায় সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করে ১৫ হাজারের বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করছে।

পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধকরণ, নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানির পুনর্ব্যবহার ও কার্বন নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণের মতো লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে কাজ করছে বলে জানায় বিএটি বাংলাদেশ।

আইএইচআর/জেডএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]