পেপারবিহীন যুগে ডিএসই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২০ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২

পেপারবিহীন যুগে পৌঁছাতে যাচ্ছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আংশিক পেপারবিহীন কার্যক্রম শুরু করবে ডিএসই। পর্যায়ক্রমে ডিএসইর সব কার্যক্রম পেপারবিহীন করা হবে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ডিএসইর নিকুঞ্জ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। পেপারবিহীন ডিএসই কাজকর্ম উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডিএসইর পরিচালক মো. শাকিল রিজভীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ডিএসইর পরিচালক সালমা নাসরীন।

প্যানেল আলোচক হিসেবে ছিলেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, ডিবিএর সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও, বিএমবিএ সভাপতি ছায়েদুর রহমান এবং সিএমজেএফ সভাপতি জিয়াউর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. শফিকুর রহমান।

ডিএসই পেপারবিহীন হওয়ার ফলে কাগজে চিঠিপত্র চালাচালি বন্ধ হয়ে যাবে। এরই মধ্যে ডিএসইর কিছু বিভাগে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা ধীরে ধীরে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে শুরু করা হবে বলে অনুষ্ঠানে ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, ডিএসই পেপারবিহীন হওয়ার ফলে স্টেকহোল্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ব্যয় কমে আসবে। এছাড়া স্টেকহোল্ডারসহ ডিএসইর আর্থিক ব্যয় কমে আসবে ও কাগজপত্র সংরক্ষণের জটিলতা কমবে। তবে অনলাইনে যেহেতু চিঠিপত্র দেওয়া-নেওয়া হবে, সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ বিএসইসির সঙ্গে ডিএসইর এবং ডিএসইর সঙ্গে অন্য স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। যার গোপনীয়তা খুবই জরুরি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসইর চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান বলেন, ডিএসইতে আসার আগে শুনতাম এখানে শতভাগ অটোমেটেড সিস্টেম। কিন্তু পরে দেখলাম বাস্তবে তা নেই। তবে অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিশন শেয়ারবাজারকে ডিজিটালাইজেশন করার জন্য অনেক কাজ করেছে। ফলে বিগত এক বছরে শেয়ারবাজারে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। সার্বিকভাবে শেয়ারবাজার নিয়ে গর্ব করার জায়গায় নেই। এখনো অনেক দূরে পড়ে রয়েছে শেয়ারবাজার।

অনুষ্ঠানে ক্লাউডভিত্তিক অনলাইনে তথ্য দেওয়া-নেওয়ার ঝুঁকির বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পরও বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ হ্যাকিংয়ের ঘটনার পরে নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। তবে আমরা ক্লাউডভিত্তিক তথ্য দেওয়া-নেওয়া করলেও হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কম। জমা করা তথ্য হ্যাকিং হওয়ার সুযোগ নেই। তবে তথ্য দেওয়া-নেওয়ার সময় ঝুঁকি আছে।

এমএএস/এমএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]