গবেষণানির্ভর ব্যবসা করতে চায় ক্যাল সিকিউরিটিজ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৬ পিএম, ২৫ মে ২০২২

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ব্রোকারেজ ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে দুবাইভিত্তিক শ্রীলঙ্কান বহুজাতিক কোম্পানি ক্যাল সিকিউরিটিজ। কোম্পানিটির এ কার্যক্রম শুরু হবে আগামী জুনে। বিনিয়োগকারীকে সঠিক বিনিয়োগে সহায়তা করতে রিসার্চ বা গবেষণানির্ভর ব্যবসা পরিচালনা করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের পুঁজিবাজারে এটিই প্রথম বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, যা সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে শেয়ার কেনাবেচায় স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার লাইসেন্স পেয়েছে।

বুধবার (২৫ মে) রাজধানীর বিজয়নগরে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের (সিএমজেএফ) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা পরিকল্পনা তুলে ধরেন কোম্পানির চেয়্যারম্যান অজিত ফার্নান্দো।

শুধু ব্রোকারেজ ব্যবসায় নয়, এ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানটি বেটা ওয়ান মার্চেন্ট ব্যাংক লিমিটেডেকে অধিগ্রহণ করে মার্চেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায়ও যুক্ত হয়েছ, যার কার্যক্রম চলমান। মালিকানা পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটি ক্যাল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে অজিত ফার্নান্দো বলেন, ক্যাল বাংলাদেশ গতানুগতিক ব্যবসার বাইরে গিয়ে ব্রোকারেজে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে চায়। ব্যবসা শুরুর আগেই বাংলাদেশের মাইক্রো অর্থনীতির ওপর একটি গবেষণা করেছি, যাতে দেখা গেছে বাংলাদেশে আগামী দিনে বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ফলে পুঁজিবাজারও অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত। এ সম্ভাবনাকে আমরা কাজে লাগাতে চাই।

কোম্পানির পরিচালক আহমেদ রায়হান শামসি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে নতুন করে অবদান রাখতে চায় ক্যাল বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে প্রতিষ্ঠানটির ২২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বাংলাদেশ অর্থনীতির দিক থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে, আগামী ২০ বছর পরে আরও ভালো অবস্থানে যাবে। এ সম্ভাবনা দেখে কোম্পানিটি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বা ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে।

এ ব্যবসা শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে, যা বাংলাদেশের সুনাম বা ব্রান্ড ইমেজ বাড়াবে। বৈশ্বিক বিনিয়োগও ত্বরান্বিত করবে।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে অজিত ফার্নান্দো বলেন, গত দু’বছর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। রেগুলেটরি রিফর্ম হয়েছে। আগামীতে পুঁজিবাজারে নতুন নতুন পণ্যও আসছে, যা পুঁজিবাজারের জন্য ভালো দিক।

অপর এক প্রশ্নে তিনি বলেন, কিছু ভুল নীতির কারণে সরকারের পতন বা সংকট তৈরি হলেও প্রতিষ্ঠানটি দুবাই থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছে, কাজেই দেশের পতনের সঙ্গে কোম্পানিটির ব্যবসায় প্রভাব পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এমএএস/এমকেআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]