বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ২৭ জুন ২০২২

দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের অব্যবহৃত স্থিতির ন্যূনতম ৪০ শতাংশ বিতরণ করতে হবে।

সোমবার (২৭ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠিয়েছে। এর আগে গত ৬ জুন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সৃষ্ট সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ সুবিধার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কৃষক পর্যায়ে ৪ শতাংশ সুদহারে কৃষিঋণ বিতরণের জন্য গঠিত ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ২০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে ব্যাংকের অব্যবহৃত স্থিতির ন্যূনতম ২০ শতাংশ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা ৬ জেলায় বিতরণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের বন্যাকবলিত এলাকা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনার পাশাপাশি দেশের উত্তররাঞ্চলে বন্যাকবলিত শেরপুর, জামালপুর, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে চিহ্নিত জেলা সমূহের জন্য এ ঋণ প্রযোজ্য হবে।

গ্রাহক পর্যায়ে ৪ শতাংশ সুদহারে কৃষিঋণ বিতরণের জন্য গঠিত তিন হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের আওতায় বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যাংকসমূহ তাদের অব্যবহৃত স্থিতির ন্যূনতম ৪০ শতাংশ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহে বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে গত বছর কৃষি খাতের জন্য নতুন করে তিন হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তহবিলের আওতায় কৃষক ব্যাংক থেকে চার শতাংশ সুদহারে ঋণ নিতে পারবেন। করোনায় অর্থনৈতিক মন্দা থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে ‘কৃষি খাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম (দ্বিতীয় পর্যায়)’ নামে এ তহবিল গঠন করা হয়।

এ প্যাকেজ থেকে ব্যাংকগুলো এক শতাংশ সুদে তহবিল পাবে, আরও তিন শতাংশ বাড়তি নিয়ে তারা ঋণ বিতরণ করতে পারবে। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ এই ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে ১৮ মাসের মধ্যে। আর তহবিলের মেয়াদ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

ইএআর/এমআরএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]