আমরা অলীক কোনো প্রতিশ্রুতি দেইনি: আসিফ

সাইফুল হক মিঠু
সাইফুল হক মিঠু সাইফুল হক মিঠু
প্রকাশিত: ০৮:০২ পিএম, ২৭ জুন ২০২২
আসিফ আহনাফ-ফাইল ছবি

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) নির্বাচনে কার্যনির্বাহী পরিষদের নয়টি পদের মধ্যে আটটিতে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে শমী কায়সারের নেতৃত্বাধীন প্যানেল অগ্রগামী। এরপর গত ২০ জুন (সোমবার) বিজয়ী ৯ পরিচালকের মধ্যে পদ বণ্টন করা হয়। যেখানে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ধানসিঁড়ি ডিজিটাল লিমিটেডের শমী কায়সার এবং কমজগৎ টেকনোলজির মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল।

ই-ক্যাব প্রতিষ্ঠার সাত বছরের মধ্যে এবারই প্রথম সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এবার নিয়ে টানা তিনবার সংগঠনটির সভাপতি হলেন শমী কায়সার এবং চতুর্থবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল।

ই-ক্যাবের নতুন কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, যুগ্ম-সম্পাদক নাসিমা আক্তার নিশা, অর্থ সম্পাদক আসিফ আহনাফ এবং পরিচালক সৈয়দা আম্বারিন রেজা, শাহরিয়ার হাসান, মো. ইলমুল হক ও মো. সাইদুর রহমান।

নির্বাচন, প্রতিশ্রুত ইশতেহার, কর্মপরিকল্পনা নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন নতুন কমিটির অর্থ সম্পাদক, ব্রেকবাইট ই-বিজনেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আসিফ আহনাফ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাইফুল হক মিঠু

জাগো নিউজ: কেমন আছেন?

আসিফ আহনাফ: এইতো ভালো আছি।

জাগো নিউজ: নির্বাচনের জার্নিটা কেমন এনজয় করলেন?

আসিফ আহনাফ: দুর্দান্ত।

জাগো নিউজ: গত কমিটিতেও ছিলেন। এবারও নির্বাচিত হলেন, জয়ের মন্ত্রটা কী?

আসিফ আহনাফ: ই-ক্যাব এমন একটা অবস্থায় দাঁড়িয়ে গেছে যার ফলে প্রচুর উদ্যোক্তা এখন এই সংগঠনটি নিয়ে ভাবছেন। যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তারা প্রত্যেকেই যোগ্য। আমাদের লড়াইটা কিন্তু সহজ ছিল না। সবারই আলাদা ইশতেহার ছিল। সদস্যরা আমাদের বেশি বিশ্বাস করেছেন। আমরা ই-ক্যাবের ফাউন্ডার ছিলাম। আমাদের ভিশনের সঙ্গে সদস্যদের ভিশনও মিলে গেছে। সদস্যদের সমস্যা আমরা হয়তো ভালো বুঝি, সেই জায়গা থেকে তারা আমাদের ট্রাস্ট করেছেন। সেই কারণে হয়তো আমরা আবার নির্বাচিত হয়েছি।

জাগো নিউজ: বাকি দুই প্যানেলের ইশতেহার নিয়েও কিছু ভাবছেন?

আসিফ আহনাফ: আমরা ইশতেহার দিয়েছিলাম। এছাড়া আরও দুটো প্যানেলও ইশতেহার দিয়েছে। আমরা সবার ইশতেহার নিয়েই চিন্তা-ভাবনা করছি। তিনটা ইশতেহার মিলে একটা কম্বাইন্ড কিছু করার পরিকল্পনা করছি। পাশাপাশি যারা আমাদের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক প্রত্যেককেই স্বাগত জানাবো।

জাগো নিউজ: প্রায় সবার ইশতেহারেই ই-ক্যাব কার্যালয়কে ঢেলে সাজানোর প্রস্তাব ছিল...

আসিফ আহনাফ: ট্রেডবডি হিসেবে যেহেতু আমরা ই-কমার্স খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। কর্মসংস্থান তৈরি করছি। আমরা সরকারের কাছে ই-ক্যাবের জন্য জমি দাবি করছি। একটা স্মার্ট অফিস তৈরি করতে চাই। যেখানে মেম্বাররা সহজে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় মিটিং বা অন্যান্য কাজ করতে পারবেন।

জাগো নিউজ: আপনাদের প্যানেল যে ইশতেহার দিয়েছে, সেটার কর্মপরিকল্পনা কী হবে?

আসিফ আহনাফ: আমরা অলীক কোনো প্রতিশ্রুতি দেইনি। ডাটা অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে ফোকাসড এরিয়া নিয়ে কাজ করবো। আমরা বিশ্বাস করি আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রতিটা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। আমরা নিজেরা বসেছি। দুই বছরের প্ল্যান তিনভাগে ভাগ করেছি। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি। স্বল্পমেয়াদি কাজগুলো আমরা প্রথম তিন মাস বা ১০০ দিনের মধ্যে করার পরিকল্পনা করছি। কিছু কাজ এক বছরের মধ্যে, কিছু কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে করবো। মেম্বার ওরিয়েন্টেড ওয়েতে আমরা কাজ করবো। এখানে যারা আমাদের মেম্বার তারা আছেন, মেম্বার নন, কিন্তু ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ, তারাও আছেন। সেক্টরটা আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করা যায় সেই জায়গায় কাজ করবো।

জাগো নিউজ: ধন্যবাদ আপনাকে।

আসিফ আহনাফ: জাগো নিউজকেও ধন্যবাদ।

এসএম/এসএইচএস/এমএস

ডাটা অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে ফোকাসড এরিয়া নিয়ে কাজ করবো। আমরা বিশ্বাস করি আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রত্যেকটা জিনিসকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। আমরা নিজেরা বসেছি। দুই বছরের প্ল্যান তিনভাগে ভাগ করেছি। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি। স্বল্পমেয়াদি কাজগুলো আমরা প্রথম তিন মাস বা ১০০ দিনের মধ্যে করার পরিকল্পনা করছি। কিছু কাজ এক বছরের মধ্যে, কিছু কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে করবো।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]