শিগগির অমীমাংসিত স্টক লভ্যাংশের দাবি নিষ্পত্তি শুরু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ২৯ জুন ২০২২

শিগগির অমীমাংসিত স্টক লভ্যাংশের দাবি নিষ্পত্তি শুরু হচ্ছে। এ দাবি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কার্যকরি নির্দেশিকা (অপারেশনাল গাইডলাইন) অনুমোদন দিয়েছে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ)।

সিএমএসএফের ২৩তম বোর্ডসভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সিএমএসএফের চিফ অব অপারেশন মো. মনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতামত এবং পুনঃনিরীক্ষণের জন্য গাইডলাইনটি পাঠানো হয়েছে।

কমিশনের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে অমীমাংসিত স্টক লভ্যাংশের দাবি নিষ্পত্তি শুরু করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব এবং সিএমএসএফ চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান।

চলতি বছরের ১৫ মার্চ বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নগদ লভ্যাংশের দাবি নিষ্পত্তি শুরু করে।

এই ধারাবাহিকতায়, এখন পর্যন্ত ১১৩ জন বিনিয়োগকারীর অমীমাংসিত নগদ লভ্যাংশের দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আরও ২৮ জন বিনিয়োগকারীর অমীমাংসিত নগদ লভ্যাংশের দাবি নিষ্পত্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, সিএমএসএফ তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ইস্যুকারীর কাছ থেকে অদাবি করা এবং অবণ্টিত নগদ বা স্টক লভ্যাংশ, অফেরত পাবলিক সাবস্ক্রিপশনের অর্থ এবং অ-বরাদ্দ রাইট শেয়ার স্থানান্তর করার মাধ্যমে প্রাপ্ত বিনিয়োগকারীদের পক্ষে অভিভাবক হিসেবে কাজ করে।

তহবিলে জমা করা নগদ বা স্টক যে কোনো সময়ে শেয়ারহোল্ডার বা বিনিয়োগকারীদের দ্বারা যথাযথ দাবির ওপর ভিত্তি করে পরিশোধ বা নিষ্পত্তি করা হবে। সিএমএসএফ তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়, অন্যান্য সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা, বাজারের মধ্যস্থতাকারীদের ঋণ প্রদান, তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ধার দেওয়া-নেওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের দাবির নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাজারে তারল্য নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করে।

এই ধারাবাহিকতায় শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে সিএমএসএফ ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে।

সিএমএসএফ বিধিমালা অনুযায়ী, সিএমএসএফ ফান্ডে টাকা স্থানান্তর হওয়ার পর যদি কোনো বিনিয়োগকারী তার নগদ লভ্যাংশ দাবি করেন, তাহলে ওই দাবি গ্রহণের ১৫ দিনের মধ্যে ইস্যুয়ার কোম্পানি দাবির সত্যতা যাচাই করে তা সিএমএসএফ-কে পাঠাবে।

এরপর সিএমএসএফ পুনরায় যাচাই বাছাই করে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে দাবি করা অর্থ বিনিয়োগকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্টক লভ্যাংশ দাবির ক্ষেত্রে সিএমএসএফ বিও অ্যাকাউন্ট থেকে বিনিয়োগকারীর বিও অ্যাকাউন্টে দাবি করা শেয়ার পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এমএএস/কেএসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]