মূল্যস্ফীতির সঙ্গে আপস নয়: গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৫ পিএম, ৩০ জুন ২০২২

মূল্যস্ফীতির সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে আগামী অর্থবছরের (২০২২-২৩) জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে এ অভিমত ব্যক্ত করেন ফজলে কবির। এসময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। এ জন্য বেসরকারি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা কমানো হচ্ছে। যেমন টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ, পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নতুন করোনা প্রাদুর্ভাব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো তার চাপ ইত্যাদি।

লিখিত বক্তব্যে গভর্নর বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে মুদ্রানীতির আওতায় গৃহীত নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত স্তরে পৌঁছলেও মূল্যস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সীমিত রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথমার্ধে বিদ্যমান অতিরিক্ত তারল্য যাতে মূল্যস্ফীতি সৃষ্টিতে সহায়ক হতে না পারে সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিল ইস্যু করে বাজার থেকে অতিরিক্ত তারল্য উত্তোলন করেছে। বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে টাকার অতিরিক্ত অবমূল্যায়ন রোধকল্পে নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ২৯ মে নীতি সুদহার হিসেবে বিবেচিত রেপো সুদহার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৪ দশমিক ৭৫ থেকে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। মে মাসে বাংলাদেশে গড় সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ, যা জুনের জন্য নির্ধারিত ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ সিলিংয়ের তুলনায় অনেক বেশি। মূলত বিশ্ববাজারে পণ্য দাম বাড়ার সূত্রে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি বাড়ায় এবং করোনা পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

ইএআর/এমএএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]