মেট্রোরেলের ৪ স্টেশন প্লাজায় থাকছে শিশুদের জন্য পার্ক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৮ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২২
ফাইল ছবি

‘উন্নত বিশ্বের মতো তৈরি করা হচ্ছে মেট্রোরেলের চার স্টেশন প্লাজা। প্রস্তুত লাল সবুজে রাঙানো মেট্রোরেলের আইকনিক স্টেশনও। জাপানের আদলে তৈরি হচ্ছে এসব স্টেশন। নান্দনিক এসব স্টেশনে থাকছে যাত্রীদের অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া মেট্রোরেলে ভ্রমণের জন্য স্থায়ীভাবে পাস ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। মেট্রোরেলের উত্তরা, আগারগাঁও, ফার্মগেট ও কমলাপুর স্টেশনে থাকছে এ ব্যবস্থা।’

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) মেট্রোরেল প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ানোর প্রসঙ্গ টেনে এ কথা বলেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী।

প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, নানা কারণে প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ, চারটি স্টেশন প্লাজা করা হবে। এসব স্টেশন প্লাজায় শিশুদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া যাত্রীদের জন্য স্টেশনগুলোতে থাকছে বিপণিবিতান, সময় কাটানোর জন্য হোটেল, রেস্টেুরেন্ট, কফিশপ ও বিনোদনকেন্দ্র। অসুস্থ এবং প্রতিবন্ধীদের ওঠা-নামার জন্য থাকছে লিফট, সঙ্গ এসকেলেটরও। মেট্রোরেলে ভ্রমণের জন্য থাকছে স্থায়ী ও অস্থায়ী দুই ধরনের র‌্যাপিড পাস।

মেট্রোরেলের ৪ স্টেশন প্লাজায় থাকছে শিশুদের জন্য পার্ক

এরআগে মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মেট্রোরেল প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ানোসহ আট প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মেট্রোরেল প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রকল্পের মেয়াদ দেড় বছর ও ব্যয় ১১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা বাড়ালো। একই সঙ্গে দৈর্ঘ্য বাড়বে ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার। মোট ব্যয় দাঁড়ায় ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ মেট্রোরেলের ব্যয় নির্ধারিত ছিল ২১ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা।

এমওএস/এমএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।