পিপলস লিজিং লোপাটে শামসুল আলামিন গ্রুপও

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১২ পিএম, ২৮ জুলাই ২০২২

# শামসুল আলামিন গ্রুপের যোগসাজশে সরেছে ২০৩৩ কোটি টাকা
# এতদিন আলোচনারই বাইরে ছিল শামসুল আলামিন গ্রুপ

পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) আর্থিক ভিত ধ্বংস করে দেওয়ার পেছনে প্রতিষ্ঠানটির কর্নধার প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদার, সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী ও ক্যাপ্টেন (অব.) মোয়াজ্জেম হোসেনের জড়িত থাকার কথা সবার জানা। এ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ লোপাটে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা ও বড় এক ব্যবসায়ীর নামও ওঠে আসে উজ্জ্বল কুমার নন্দীর দেওয়া জবানবন্দিতে। প্রতিষ্ঠানটিকে পঙ্গু করার পেছনে সেসময়কার পরিচালনা পর্ষদও জড়িত থাকার কথা বলেন নন্দী।

তবে, এসব কিছুকে ছাপিয়ে এবার পিপলস লিজিংয়ের অর্থ লোপাটের পেছনে বেরিয়ে এসেছে শামসুল আলামিন গ্রুপের নাম। আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি থেকে আলামিন গ্রুপের মাধ্যমে সুকৌশলে দুই হাজার ৩৩ কোটি টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। গ্রুপটির নাম শামসুল আলামিন গ্রুপ। এ গ্রুপের মালিক রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন। তিনি পিপলস লিজিংয়ের পরিচালক ছিলেন। গ্রুপটির এ কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেছেন পিপলস লিজিংয়ের তৎকালীন পরিচালক মতিউর রহমান ও ক্যাপ্টেন (অব.) মোয়াজ্জেম হোসেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে পিপলস লিজিংয়ের অর্থ লোপাটের পেছনে এ গ্রুপের জড়িত থাকার কথা।
আরও পড়ুন>> পিপলস লিজিংয়ের ২৫ ঋণখেলাপিকে গ্রেফতার করে হাজির করার নির্দেশ

প্রতিবেদন অনুসারে, নামি-বেনামি প্রতিষ্ঠান এবং আলমগীর শামসুল আলামিনের ছেলে, স্ত্রী ও আত্মীয়-স্বজনের নামে পিপলস লিজিং থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থঋণ নেওয়া হয়েছে, যা শেষপর্যন্ত খেলাপিতে পরিণত। সুদে-আসলে গ্রুপটির দায়ভার দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১১৪ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন টিমের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, পিপলস লিজিংয়ের সাত পরিচালক ছিলেন— নার্গিস আলামিন, হুমায়ারা আলামিন, আরাফিন শামসুল আলামিন, মতিউর রহমান, ইউসুফ ইসমাইল, বিশ্বজিৎ কুমার রায় ও খবির উদ্দিন মিয়া। তাদের বেশিরভাগই আলমগীর শামসুল আলামিনের আত্মীয় এবং খুবই কাছের লোক। ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নিয়ম ভেঙে ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ এবং শেয়ার পোর্টফোলিওর বিপরীতে ২৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে শামসুল আলামিন গ্রুপ। সুদ-আসল মিলে যার বর্তমান স্থিতি ৫০০ কোটি টাকার বেশি।

ঋণ হিসাবের তথ্য সিআইবি (বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর) ডাটাবেজে এবং সিএল বিবরণীতে রিপোর্ট করা হয়নি। আবার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে পর্ষদের অনুমোদন ছাড়াই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পর্ষদের অনুমোদনে ভুয়া কাগজ তৈরি করা হয়েছে। অধিকাংশ নথিতে ঋণের আবেদন, ঋণ গ্রহণকারীর ব্যবসায়িক প্রোফাইল, কেওয়াইসি, চার্জ ডকুমেন্টস ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়নি। কোথাও আবার বেনামি ঋণ হিসাব সৃষ্টি করে সেখানে অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছে, যা দ্বারা পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঋণ সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থাৎ এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর দ্বারা অনিয়মের ধারাকে আড়াল করা হয়েছে।

আরও পড়ুন>> পিপলস লিজিংয়ের বোর্ড চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন কামাল উল আলম)

পিপলস লিজিংয়ের অবসায়ন প্রক্রিয়া চলার সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তথ্য চান হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশের ভিত্তিতে ২০২০ সালে ডিসেম্বরে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে এত বেশি লুটপাট হয়েছে যে সুক্ষ্মভাবে তার হিসাব নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে যেসব দায়-দেনা ও দুর্নীতির কথা জানা গেছে প্রকৃতপক্ষে তা বহুগুণ বেশি।

হাইকোর্টে পাঠানো প্রতিবেদন অনুযায়ী, লুটপাটের দুই হাজার ৩৩ কোটি টাকার মধ্যে শামসুল আলামিন গ্রুপ ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ হিসাবে নিয়েছিল। এর মধ্যে ১৬৯ কোটি টাকা সরাসরি ঋণ, আর বাকি ২৪ কোটি টাকা মার্জিন লোন। এসব ঋণের বেশিরভাগ অর্থ পরিশোধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন আলমগীর শামসুল আলামিন।

তবে সূত্র বলছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে না জানিয়ে সুদ মওকুফের (৭৭ কোটি টাকা) অংককে পরিশোধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী বোর্ড সদস্যের সুদ মওকুফ করার কোনো সুযোগ নেই। সুদ মওকুফের সময় শামসুল আলামিন ছিলেন পিপলস লিজিংয়ের পরিচালক।

দুই হাজার ৩৩ কোটি টাকার মধ্যে বাকি এক হাজার ৮৪০ কোটি টাকার অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমকে সামনে রেখে। এসব অর্থ লোপাটের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী আলমগীর শামসুল আলামিন। কারণ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া যাবে না। যদি দেওয়া হয় এবং ঋণ দেওয়ার ফলে লোকসানের জন্য ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব পরিচালক যৌথভাবে এবং পৃথকভাবে ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী থাকবে।

আরও পড়ুন>> পি কে হালদারকে দেশে এনে বিচারের দাবি পিপলসের আমানতকারীদের

আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০১০ সালে নামসর্বস্ব কোম্পানি জেনিথ হোল্ডিংস এবং জেফায়ার হোল্ডিংসকে ঋণ দেয় পিপলস লিজিং। এ দুই কোম্পানির নামে ১২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পিপলস লিজিংয়ে থাকা ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ সমন্বয় করেন। ২০১৯ সালে লিপ্রো ইন্টারন্যাশনালের কাছে জমিটি বিক্রি করে ১২০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করেন। কিন্তু কোনো মুনাফা দেননি। জমি বিক্রির অর্থ নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করায় ২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ১৭ শতাংশ সুদ হিসাব করলে পিপলস লিজিং লিমিটেডের প্রায় ২৯৮ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। তবে, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর জেনিথ হোল্ডিংস এবং জেফায়ার হোল্ডিংসের নেওয়া বিপরীতে ঋণের বকেয়া স্থিতি যথাক্রমে ২৩ কোটি ৪১ লাখ ২ হাজার ২৩৮ টাকা এবং ২৩ কোটি ৪০ লাখ ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকার জন্য ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম এর দায়বদ্ধতা রয়েছে।

এছাড়া ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গ্রেট ওয়াল ল্যান্ড প্রোপার্টি লিমিটেডের অনুকূলে পাঁচ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে ওই ঋণের বকেয়া স্থিতি দাঁড়ায় ৭৭ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা এখনো অপরিশোধিত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) অবহিত না করেই পিপলস লিজিংয়ের স্পন্সর শেয়ার বিক্রয় করা হয়। ই-সিকিউরিটিজের ১০০ টাকা মূল্যের এক লাখ ১৬ হাজার ৬৩১টি শেয়ার ৪৪৫ দশমিক ৫০ টাকা প্রিমিয়ামে মোট ছয় কোটি ৯৯ লাখ টাকায় ক্রয় করা হয়। কিন্তু কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি ই-সিকিউরিটিজ। মার্জিন লোনসহ ই-সিকিউরিটিজ সংশ্লিষ্ট অনিয়মের সঙ্গে জড়িত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮২৩ কোটি ৬ লাখ৩৫ হাজার টাকা। এ অনিয়মের সঙ্গে শামসুল আলামিন নিজেও জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন টিম।

পিপলস লিজিংয়ের অর্থে প্লেসমেন্টে এসএস স্টিল মিল্স লিমিটেডের ৬২ লাখ ৫৫ হাজার শেয়ার ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ছয় কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমের নির্দেশে পিপলস লিজিংয়ের অনুকূলে ৩১ লাখ ৩০ হাজারটি শেয়ার এবং অবশিষ্ট ৩১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ই-সিকিউরিটিজ ও গ্রেট ওয়াল ল্যান্ড প্রোপার্টিজ এবং তার ছেলে এহসান মোয়াজ্জেমের অনুকূলে বরাদ্দ করা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে বহু কাঠখড় পোড়ানোর পর সেই টাকা ফেরত দেন ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম। তাতেও পিপলস লিজিংয়ের ক্ষতির পরিমাণ ছিল আট কোটি ৬৩ লাখ।

ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম পিপলস লিজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অনুমোদিত জামানতবিহীন ১০২টি ঋণের স্থিতি ছিল ৭৯০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যার পুরোটাই এখন খেলাপি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৩ এর ১৪(৪) ধারা অনুসারে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম ওই ৭৯০ কোটি ৩৯ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পরিচালকদের সঙ্গে যৌথভাবে এবং পৃথকভাবে দায়বদ্ধ। অভিযোগ রয়েছে এ অনিয়মের সঙ্গেও জড়িত শামসুল আলমিন।

শুরুর পর থেকে পিপলস লিজিং একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল। কিন্তু ২০১৩ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন সংশ্লিষ্টরা। অনিয়ম দুর্নীতি টের পেয়ে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে পিপলস লিজিংয়ের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এতেও নিস্তার পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে সমাজে অপরিচিত-দুর্নীতিবাজ এবং বিভিন্ন বেনামি কোম্পানির লোকদের পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত করা হয়। এরপর কোম্পানি থেকে অভিজ্ঞ ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি এবং মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করেই অন্যায়ভাবে ক্রমাগত ছাঁটাই শুরু করে দেওয়া হয়। যোগ্যতা, সততা ও অভিজ্ঞতার বিচার না করে উচ্চপদস্থ পদে পর্ষদের পছন্দমতো লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। যারা নতুন পরিচালকদের অন্যান্য কোম্পানির কর্মচারী ছিলেন।

এসব কর্মকাণ্ড চালাকালে পিপলস লিজিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন আলমগীর শামসুল আলামিনের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ আরাফিন শামসুল আলামিন, হুমায়রা অলামিন, নার্গিস আলামিন, মতিউর রহমান এবং বিশ্বজিৎ কুমার রায়। এখন পিপলস লিজিংয়ের মামলাটি হাইকোর্টে বিচারাধীন।

এ বিষয়ে শামসুল আলামিন গ্রুপের চেয়ারম্যান আলমগীর শামসুল আলামিন জাগো নিউজকে বলেন, আমি সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম পিপলস লিজিংয়ে পুনর্গঠন করে আবারও আনতে। এটাতে অনেকেরই হয়তো হিংসে হয়েছে, এ কারণে আমার পেছনে লাগতে পারে। আমরা অনুমোদন অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করছি কি না সেটা হলো মূলবিষয়, আমরা কোর্টকেও জানিয়েছি। কোর্টের নির্দেশে আমরা পেমেন্ট করে যাচ্ছি। এটা প্রতি মাসেই পরিশোধ করা হচ্ছে। এত টাকা আমার কাছে পাওনা হবে, আরেকজনের কাছে এত, তাহলে তো পিপলস লিজিংয়ের টাকা ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। জানি না বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্বন্ধে নতুন করে যে তথ্য দিচ্ছে... আমি এ বিষয়ে আর মন্তব্য করতে চাই না। আপনারা পিপলস লিজিংয়ে যদি খবর নেন তাহলে জানতে পারবেন আমরাই একমাত্র গ্রুপ যারা সময়মতো পেমেন্ট করে যাচ্ছি।

এখন আপনার কাছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া কত? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আসলে আমি তো এটা পরিশোধ করি না। আমার স্টাফদের মাধ্যমে জানতে, এ মুহূর্তে ফিগারটা বলতে পারবো না। তবে, আপনি আমার সঙ্গে বসুন, সব ডকুমেন্ট দেখাতে পারবো।

আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, পুনরায় পিপলস লিজিংকে চালাতে বকেয়া পরিশোধ কীভাবে করবো, কীভাবে চালাবো, শেয়ার হোল্ডারদের কীভাবে দেবো, সববিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকে জানিয়েছি। মূল কথা হলো— আমি নিজেই একটা স্ট্রাকচার দিয়েছি যে পিপলস লিজিংকে আবারও চালাতে চাই, সেই কারণে অনেকেরই মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেছি।

ইএআর/এমএএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।