শিল্পকারখানায় সাপ্তাহিক বন্ধ থাকলেও ‘উৎপাদন ব্যাহত হবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩২ পিএম, ০৭ আগস্ট ২০২২
ফাইল ছবি

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে শিল্পকারখানায় এলাকাভিত্তিক সাপ্তাহিক ছুটি কার্যকরের পরিকল্পনা করছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে উৎপাদন যেমন ব্যাহত হবে না, অন্যদিকে একইদিনে সব শিল্পকারখানা বন্ধও থাকবে না। এক্ষেত্রে শুধু সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিবর্তন আসবে।

রোববার (৭ আগস্ট) বিদ্যুৎ ভবনে শিল্প মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রোস্টার করে রাজধানীসহ সারাদেশে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং চলছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে লোডশেডিং অর্ধেকে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এজন্য লোডশেডিং সমন্বয়ে এলাকাভিত্তিক শিল্পকারখানা সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখা হতে পারে। সাপ্তাহিক ছুটি একেক শিল্পকারখানায় একেক দিন হতে পারে। তবে সপ্তাহে ছুটি একদিনই হবে।

এলাকাভিত্তিক শিল্পে সপ্তাহে একেক দিন একেক এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটি হলেও শিল্পের উৎপাদনে কোনো ব্যত্যয় হবে না বলে জানিয়েছেন শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, সপ্তাহে শিল্পকারখানা একদিন বন্ধ থাকে। এটা সপ্তাহের যে কোনো দিন হতে পারে। বাকি দিনগুলোতে যথারীতি কারখানাগুলোতে উৎপাদন সচল থাকবে।

সভায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর পরিচালক রাজীব হায়দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম জাগো নিউজকে বলেন, আজকের সভায় শিল্পে এলাকাভিত্তিক সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। আমরা তো প্রতি সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখি। সেক্ষেত্রে সপ্তাহে একেকদিন একেক এলাকায় বন্ধ রাখবো। এটা আগের মতো হবে, অর্থাৎ সাপ্তাহিক বন্ধ একদিনই হবে।

তিনি আরও বলেন, আগে একদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকতো, এখন হয়তো এলাকাভিত্তিক একেক দিন একেক এলাকায় বন্ধ থাকবে। এতে উৎপাদন বা শিপমেন্টে কোনো প্রভাব পড়বে না। শুধু সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিবর্তন আসবে।

ইএআর/এমকেআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।