কৃষিঋণের ১৪ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৫৯ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
ফাইল ছবি

গত অর্থবছরে কৃষিখাতে ২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা পেয়েছে প্রাণিসম্পদ খাত। এটি সার্বিক ঋণের ১৪ শতাংশ। এছাড়া ওই বছরে শষ্যঋণের অনুপাতিক হার ৫০ শতাংশ, মৎস্যঋণের ১১ শতাংশ, কৃষিপণ্য বিপণনে ১৪ শতাংশ, দারিদ্র্য বিমোচনে ৪ শতাংশ, সেচ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ২ শতাংশ ও ১ শতাংশ অন্যান্য খাতে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে আমাদের অবস্থান ও করণীয় শীর্ষক সেমিনারের মূল প্রবন্ধে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিডোর ন্যাশনাল প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর, প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আইনুল হক।

আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

এ সময় আলোচকরা প্রাণিসম্পদখাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ঋণ ও বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কৃষিঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকারদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার। গ্রাম পর্যায়ে এখনো বেশিরভাগ ব্যাংক শাখা স্থাপন করেনি। অন্যদিকে, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহ (এমএফআই) ও এনজিওগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কম সুদে ঋণ নিয়ে গ্রাম পর্যায়ে ২০-২৫ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করে থাকে।

মূল প্রবন্ধে আরও বলা হয়, প্রাণিসম্পদখাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে মূল বাধা হলো ঋণ প্রক্রিয়ায় পদ্ধতিগত জটিলতা, জামানাতজনিত জটিলতা, প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর অনীহা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম, প্রাণিসম্পদের মৃত্যুঝুঁকি, বিমার প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা না থাকা।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদখাতে বিগত ১৩ বছরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তারপরও প্রাণি প্রতি গড় মাংস ও দুধ উৎপাদনে উন্নত দেশের তুলনায় এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে। এছাড়া, প্রতিবছর প্রায় এক লাখ টনেরও বেশি গুঁড়াদুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আমদানি করতে হয়, যাতে খরচ হয় বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা।

এনএইচ/এমএইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।