বিদ্যুৎ বিলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ইনভয়েস কর চালান হিসেবে গণ্য হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৯ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

ভ্যাটের চালান ব্যবহারে উৎসাহ দিলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে গ্রাহকের পরিশোধিত বিদ্যুৎ বিলের বিপরীতে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে জারি করা ইনভয়েসকে কর চালানপত্র হিসেবে গণ্য করার নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক আদেশে পাঁচ শর্তে এমএফএসের ইনভয়েসকে কর চালানপত্র হিসেবে গণ্য করতে বলা হয়েছে। রাজস্ব বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এনবিআরের আদেশে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ৪৬ ধারার (৩) উপধারার দফা (চ) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি ১১৮ক এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধিত বিদ্যুৎ বিলের বিপরীতে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জারি করা ইনভয়েসকে কর চালানপত্র হিসেবে গণ্য করার লক্ষ্যে শর্ত ও পদ্ধতি নির্ধারণ করেছে।

শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- যেসব প্রতিষ্ঠান এমএফএসের রেগুলেশন ২০২২ এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পেয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের অনুকূলে অনলাইনে ইনভয়েস ইস্যু করতে পারবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ডাকবিভাগ থেকে একই সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ইনভয়েস ইস্যু করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি বা সমঝোতা থাকতে হবে।

শর্তের মধ্যে আরও রয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ ‘ছক-ক’ এ বর্ণিত অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্যাদিসহ নিজস্ব ফরমেটে একটি অনলাইন ইনভয়েস জারি করতে হবে। মূল ইনভয়েস কেবলমাত্র একবার জারি করা যাবে। তবে অনুলিপির প্রয়োজন হলে সেক্ষেত্রে ইনভয়েসে অনুলিপি বড় অক্ষরে মুদ্রিত থাকতে হবে। প্রতিটি ইনভয়েসে অর্থবছর ভিত্তিক সংখ্যানুক্রমিক নম্বর ও তারিখ থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট কমিশনার বা বিভাগীয় কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারীর ওয়েব পোর্টাল, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য সব ধরনের দলিলাদি পরীক্ষা করতে পারবে।

এসএম/কেএসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।