ইংরেজি ২য় পত্রে দেড়শতাধিক পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১২ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০১৮
ইংরেজি ২য় পত্রে দেড়শতাধিক পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

সারা দেশে প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত পরিবেশে পঞ্চম দিনের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অসাধুপন্থা অবলম্বন করায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় ১৬৭ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া সিলেট বোর্ডে একজন পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়। নয়টি বোর্ডে সাড়ে ১২ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিতি ছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ জানা গেছে।

জানা গেছে, শনিবার সাধারণ আট বোর্ডের অধীনে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র (আবশ্যিক) ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১২ হাজার ৫৭৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

নয়টি শিক্ষা বোর্ড বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার পঞ্চম দিনে ঢাকা বোর্ডে মোট ৪ হাজার ৯৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অসাধুপন্থা অবলম্বন করায় ৭৪ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। চট্টগ্রাম বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ১ হাজার ১৯২, আট পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। রাজশাহী বোর্ডে অনুপস্থিতি ১ হাজার ৬৮৪, বহিষ্কার ১২। বরিশাল বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৮২; বহিষ্কার ১৫, সিলেট বোর্ডে অনুপস্থিতি ৮৪৫ ; বহিষ্কার ১২, এ বোর্ডে একজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়। দিনাজপুর বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ১ হাজার ২৮৪; বহিষ্কার ১৫, কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিতি ১ হাজার ১৬৫; বহিষ্কার ১৫, যশোর বোর্ডে অনুপস্থিতি ১ হাজার ৪৫২; বহিষ্কার ১৬।

অন্যদিকে, কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিতি ছিল ২১ জন। শনিবার মাদরাসা বোর্ডের অধীনে কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

এবার এইচএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৫৪১। গত বছরের তুলনায় ৪৪টি কম। এছাড়া বিদেশি ৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৯৯। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ রয়েছে।

এর আগে ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় সারা দেশের ৯ বোর্ডে প্রায় দুইশ' পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এদিন অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিলো ১৪ হাজার ৮। তবে ওই দিন কোথাও শিক্ষক বহিষ্কার হয়নি।

এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হচ্ছে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে প্রশ্ন সেট নির্ধারণ করে সকল বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একাধিক প্রশ্নের সেট পৌঁছে যাচ্ছে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৩ মে পর্যন্ত। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৩ মে শেষ হবে। পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ হবে।

এমএইচএম/জেএইচ/আরআইপি