শেষ সময়ে কলেজে ভর্তির আবেদনের হিড়িক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৭ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৮
ফাইল ছবি

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে আবারও আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে এ আবেদন শুরু হয়েছে। তাই শেষ সময়ে কলেজে ভর্তির আবেদনের হিড়িক পড়েছে। প্রথমদিনেই প্রায় ৪০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। ১৫ জুলাই পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি থেকে বঞ্চিত থাকায় এবার নিয়ে চতুর্থ দফায় আবেদন শুরু হয়েছে। এ দফার ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ জুলাই। ২০-২৩ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা নিশ্চায়ন ও ভর্তি হতে পারবে। ২৪-২৫ জুলাইয়ের মধ্যে কলেজ থেকে তাদের তথ্য শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, এখনও যারা ভর্তি থেকে বঞ্চিত তাদের জন্য নতুন করে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগের পদ্ধতিতেই ৫টি বা ১০টি কলেজ পছন্দ করে আবেদন করতে পারবে। প্রথম দিনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার আবেদন জমা হয়েছে। ১৭ জুলাই এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, সারা দেশে কলেজগুলোতে পর্যাপ্ত আসন রয়েছে। তাই ভর্তি থেকে কেউ বাইরে থাকবে না। মেধা অনুযায়ী চতুর্থ ধাপের ভর্তির জন্য মনোনীত করা হবে। এরপরও যদি কেউ ভর্তি থেকে বঞ্চিত থাকে তবে আবারও আবেদনের সুযোগ দেয়া হবে।

এ ধাপে জিপিএ-৫ ধারীরা তাদের পছন্দের কলেজ পাবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভালো কলেজগুলোতে আসন প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। তাই সব জিপিএ-৫ ধারীকে ভালো কলেজে দেয়া সম্ভব হবে না। তবে মেধা অনুযায়ী তাদের কলেজ নির্বাচন করা হবে। এখন যে আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে, এ ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের উচিত হবে নিজের মেধাতালিকা অনুযায়ী কলেজের পছন্দক্রম দেয়া। মেধাক্রম বেশি পেছনে হলে আর কলেজে আসন কম থাকলে আবেদন না করাই শ্রেয়। কেননা, তারা তখন পছন্দের কলেজ পাবে না।

ঢাকা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার এসএসসিতে উত্তীর্ণ অন্তত সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আওতায় আসেনি। এবার শুধু এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পাস করেছে ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ১৮৭ জন। তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩২ হাজার ৫২৫ জন ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে। বাকিরাই ভর্তির আওতায় না আসা শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। তিন দফায় আবেদন করে কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থী আছে ২৮ হাজারের বেশি।

এমএইচএম/জেএইচ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :