৩ বছরে জাপানে ১০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৫ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৯

ইঞ্জিনিয়ার ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে (আইটিইই) দেশের আইটি ইঞ্জিনিয়ার গ্রাজুয়েটরা যাতে ভালো ফলাফল করতে পারেন সে লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। আগামীকাল ১৩ নভেম্বর ইউজিসি মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় অংশীজনের সঙ্গে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করছে। এর উদ্দেশ্য আগামী তিন বছরে জাপানে ১০ হাজার আইটি ইঞ্জিনিয়ারের কর্মসংস্থান তৈরি, আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা বাড়ানো। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

কর্মশালায় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ঢাকার জাপান দূতাবাসের মন্ত্রী হিরোইকি ইয়ামায়া, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অরগানাইজেশনের ঢাকার প্রতিনিধি ইউজি অ্যান্দো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ। ইউজিসি সদস্য, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইসিটি ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষকগণ কর্মশালায় উপস্থিত থাকবেন।

কর্মশালার আহ্বায়ক ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইটিইই জাপানে আইটি প্রফেশনালদের মাননিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত। এ পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের মেধাবী আইটি ইঞ্জিনিয়ার গ্রাজুয়েটরা দক্ষতা পরিমাপ করতে পারবেন যা দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, আইটিইই পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার গ্রাজুয়েটরা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজারে প্রবেশে সক্ষম হবেন। আইটিইই’র মাধ্যমে প্রযুক্তি ও জ্ঞানের বিনিময় ঘটবে, শিক্ষার্থীরাও জনসম্পদে রূপান্তরিত হবে।

আইটিইইতে ভালো অবস্থান এবং বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তির বাজার ধরতে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় যুক্ত করে আধুনিক আইসিটি পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। আইটিইই দেশে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে নতুন পরিচয়ে পরিচিত করবে। এটি চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইটি শিক্ষার্থীদেরে জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করবে বলে তিনি মনে করেন।

এমএইচএম/এমএআর/পিআর