যুদ্ধাপরাধীর নামে ৫ কলেজের নাম পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪৪ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৯

যুদ্ধাপরাধীদের নামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কলেজের নাম থাকছে না। মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী এবং যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত পাঁচ কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে এমন একটি কলেজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। বাকি চারটি কলেজের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যে কলেজটির নাম ইতোমধ্যে পরিবর্তন করা হয়েছে সেটি হচ্ছে রাঙ্গামাটির রাবেতা মডেল কলেজ। এই কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘লংগডু মডেল কলেজ’। বিশেষ সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হয়ে আসছিল কলেজটি। আর যে চারটি কলেজের নাম পরিবর্তনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে সেগুলো হচ্ছে- হবিগঞ্জের মাদবপুরের সৈয়দ সাঈদউদ্দিন কলেজ, এটির পরিবর্তিত নাম ‘মৌলানা আছাদ আলী ডিগ্রি কলেজ’; কক্সবাজারের ঈদগাও ফরিদ আহমেদ কলেজ, পরিবর্তিত নাম ‘ঈদগাও রশিদ আহমেদ কলেজ’; টাঙ্গাইলের বাশাইল এমদাদ হামিদা কলেজ, পরিবর্তিত নাম ‘বাশাইল ডিগ্রি কলেজ’ এবং গাইবান্ধার ধর্মপুর আব্দুল জব্বার কলেজ, পরিবর্তিত নাম ‘ধর্মপুর ডিগ্রি কলেজ’।

এক বছর আগে সারাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের নামে থাকা কলেজগুলো চিহ্নিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের নামে থাকা কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজের পরিচালনা পর্ষদকে চিঠি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, কলেজগুলোতে যুদ্ধাপরাধীদের নাম চিহ্নিত করে তা পরিবর্তন করে সংশ্লিষ্ট এলাকার মুক্তিযোদ্ধা বা বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে নামকরণ করতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় পাঁচটি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব স্থাপনার নামফলক বা স্মৃতিফলক থেকে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার আদালত এই নির্দেশ দেন। যুদ্ধাপরাধীদের নামে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নাম পরিবর্তনের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এমএইচএম/এসআর/এমকেএইচ