প্রাথমিকে নেয়া হবে ১৮ হাজার শিক্ষক, ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২২ পিএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের চিন্তা-ভাবনা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। প্রথম পর্যায়ে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে এ মাসের শেষ সপ্তাহে নেয়া হয়।

ডিপিই সূত্র জানায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় ১২ হাজার পদের কথা বলা হলেও শূন্যপদের চাহিদা বিবেচনা করে তা ১৮ হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে মৌখিক পরীক্ষা দেয়া প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের নিয়োগপ্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির জাগো নিউজকে বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল তৈরির কাজ চলছে। আগামী ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এ ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এছাড়া পদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এবার প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এটি ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।

জানা যায়, জাতীয়করণকৃত ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় খোলা হলেও সেখানে এখনো শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। চলতি নিয়োগের ফল প্রকাশের পর নতুন করে আরও ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিপিই।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ডিপিই। ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে ২৪ লাখ পাঁচজন প্রার্থী আবেদন করেন। এরপর চলতি বছরের মে মাসে সারাদেশকে চার ভাগে ভাগ করে চারটি ধাপে পরীক্ষা নেয়া হয়।

গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হয় লিখিত পরীক্ষার ফল। তাতে উত্তীর্ণ হন ৫৫ হাজার ২৯৫ জন। এরপর ৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। জেলায় জেলায় এ পরীক্ষা শেষ করতে এক মাস লেগে যায়।

এরপর সারাদেশ থেকে আসা ফল পরীক্ষা সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। ফলাফল প্রকাশের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ডিপিই ওয়েবসাইটে দেয়া হবে।

এমএইচএম/বিএ/এমএস