বেতন মওকুফ নয়, সময় বৃদ্ধি করছে ভিকারুননিসা স্কুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৩২ পিএম, ২০ আগস্ট ২০২০

তিন মাসের বদলে এক মাস করে বেতন আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। করোনা পরিস্থিতির কারণে অভিভাবকদের কথা বিবেচনা করে গভর্নিং বডি (জিবি) এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে বেতন মওকুফের দাবিতে অভিভাবকরা আন্দোলন করলেও তা মেনে নেয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সরকার ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সকল স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছুটি ঘোষণা করেছে। বন্ধ থাকা সময়ে টিউশন ফিসহ শিক্ষার্থীদের সব ধরনের চার্জ মওকুফ করতে আন্দোলন নেমেছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবকরা। দাবি আদায়ে তারা সাত দিন আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবি মেনে না নিলে দেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজের অভিভাবকদের একত্রিত করে সারাদেশে একযোগে আন্দোলনে নামার হুমকি দেয়া হয়েছে।

তবে অভিভাবকদের দাবি মেনে নেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে অভিভাকদের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে তিন মাসের বদলে এক মাস করে বেতন আদায় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য নতুন করে সফটওয়্যার সংস্কার করা হচ্ছে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেবর পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধের পর অভিভাবকরা পরবর্তীতে এক মাসের টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন বলে। দ্রুত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বেতন পরিশোধ করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার শেষদিন নির্ধারণ করে দেয়া হলেও এখনো অনেক অভিভাবক পরিশোধ করতে পারেননি বলে জিবির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিকেলে এ সিদ্ধান্তের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দেয়া হবে।’

ছাত্রীদের বেতন মওকুফ করার কোনো চিন্তাভাবনা নেই জানিয়ে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া বলেন, প্রতি মাসে সব কয়টি ব্রাঞ্চের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রায় চার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়। টিউশন ফি আদায় না করলে সকলের বেতন পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। বেতন মওকুফ করতে সরকারি নির্দেশনা এলে জিবি সদস্যরা বসে কী পরিমাণে কমানো যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

এমএইচএম/এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]