প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বোর্ডে অভিযোগ, ‘ষড়যন্ত্র’ বললেন তিনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৪৬ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঢাকার মোহাম্মদপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মসহ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। যদিও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ‘তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র’ হচ্ছে বলে জানান।

রোববার প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীরা। তাদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি কমে গেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে শিক্ষক-কর্মচারীদের লিখিত অভিযোগ বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ে যোগদানের এক বছরের মধ্যেই প্রধান শিক্ষক আড়াই লাখ টাকার চেক গ্রহণ করে নিম্নমানের বই পাঠ্য করতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি জানাজানির পর টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন তিনি।

এছাড়া বিদ্যালয়ের মাঠ ও অডিটোরিয়াম ভাড়া দিয়ে টাকা আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের পুরাতন আসবাবপত্র এমনকি গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ করা হয়েছে। নির্মাণাধীন ছয়তলা একটি ভবনে নিম্নমানের উপকরণ সরবরাহের সুযোগ দিয়ে অনৈতিক বাণিজ্যেরও অভিযোগ করা হয়েছে লিখিত ওই চিঠিতে।

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক তার এসব অপকর্ম ঢাকতে অযথা সাধারণ শিক্ষকদের শোকজ করতেন। তিনি বিদ্যালয়ের যোগাদানের পর থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের নিয়মিত মিটিংয়ে রাখতেন না। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের সঙ্গে অকথ্য ভাষায় কথা বলা এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মারধরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। উল্টো তিনি অভিযোগ করে জানান, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার সততায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অন্যান্য শিক্ষকরা ষড়যন্ত্র করছেন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনার চেষ্টা করেছি মাত্র।’

তার বিরুদ্ধে শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দেয়া প্রসেঙ্গ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে সকল তথ্য-প্রমাণ আছে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ যদি আমাকে লিখিত জবাব দিতে বলে আমি দেব।’

‘বিদ্যালয় থেকে আমাকে সরিয়ে দিতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’ বলেও দাবি করেন দেলোয়ার হোসেন।

এমএইচএম/এমএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]