দাবি আদায়ে স্বতন্ত্র মাদরাসা শিক্ষকরা আন্দোলনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১৭ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

জাতীয়করণসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক সমিতি। দাবি আদায়ে লাগাতার আন্দোলন করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ১৯৭৮ সালের অর্ডিনেন্স ১৭ (১) ধারা মোতাবেক মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়। রেজিষ্ট্রেশন হওয়ার পর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৪ সালে একই পরিপত্রে রেজিষ্ট্রার বেসরকারি প্রাইমারি ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে বিগত সরকারের সময়ে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি করে বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের ৩ হাজার ও সহকারী শিক্ষকদের আড়াই হাজার টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল জাতীয়করণ করে সকল শিক্ষককে সরকারি করা হয়েছে।

তারা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসায় একই সিলেবাসে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা সমাপনীর মতো ইবতেদায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো সরকারের সকল কাজে অংশগ্রহণ করে। অথচ মাস শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পায়, ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা তেমন কোনো বেতন ভাতা পান না।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা হাফিজ কাজী ফয়েজুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষক সমিতি অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন চলাকালীন সময় সরকারের নির্দেশে সচিব মহাদয় আন্দোলন স্থলে এসে শিক্ষকদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন হয়নি। ১৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা সর্বসাকুল্যে প্রধান শিক্ষক ২৫০০ টাকা, সহকারী শিক্ষক ২৩০০ টাকা ভাতা পান। বাকিরা শিক্ষকরা ৩৪ বছর যাবৎ বেতন-ভাতা বঞ্চিত রয়েছে।

এমএইচএম/এনএফ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]