কলেজে নিয়মিত অধ্যক্ষ সংকট কাটছে শিগগিরই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৯ পিএম, ০২ অক্টোবর ২০২০

দেশের সরকারি কলেজগুলোতে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষের সংকট দীর্ঘদিনের। ফলে যথাযথ সিদ্ধান্তের অভাবে কলেজগুলোর নানা সমস্যার সমাধান করা যাচ্ছে না। তবে খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, দেশের সরকারি কলেজগুলোর মধ্যে যেগুলোতে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নেই সেগুলোর তালিকা চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। জরুরি ভিত্তিতে ৫ অক্টোবরের মধ্যে এই তালিকা দেয়ার জন্য মাউশি’র নয় আঞ্চলিক পরিচালককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে মাউশি’র মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, দীর্ঘদিন বিভিন্ন কলেজে অনেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো কোনো কলেজে উপাধ্যক্ষ অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। আবার অনেক কলেজে উপাধ্যক্ষের সংকট রয়েছে। অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগও নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমরা চাই, শূন্যস্থানগুলো দ্রুত পূরণ করতে।

তিনি বলেন, কলেজের একাডেমিক, প্রশাসনিক, অবকাঠামোগত নানা সমস্যা সমাধানে পদগুলো নিয়মিতকরণের বিকল্প নেই। যেসব কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের নিয়মিত পদগুলো খালি রয়েছে, আমরা সেগুলোর তালিকা চেয়েছি। আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে তালিকা চলে আসবে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এগুলোর সমাধান করতে পারব।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, কলেজগুলোর সংকট নিরসনে আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদের জন্য যোগ্য শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে। অনেকেই আবেদন করেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, আবেদন করা শিক্ষকদের মধ্য থেকে যোগ্যতাসম্পন্নদের বাছাই করা হবে। তাদের মধ্য থেকে প্যানেল করা হবে। প্যানেলভিত্তিতে যেসব কলেজে শূন্য পদ রয়েছে সেগুলোর অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেয়া হবে। যেসব কলেজের পদ পরবর্তীতে খালি হবে প্যানেলের ভিত্তিতে সেসব শূন্যপদে নিয়োগ দেয়া হবে।

গত বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক পরিচালকদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে মাউশি। শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ দেয়ার জন্য তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

মাউশি সূত্রে জানা যায়, দেশে সরকারি কলেজের সংখ্যা ৬৩২টি। এর মধ্যে ১৪১টি কলেজে অধ্যক্ষের পদ ফাঁকা। ২৮টি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদটি শূন্য রয়েছে। এছাড়া শিক্ষকের পদ ফাঁকা দুই হাজার ৮৭৮টি, যা মোট পদের ১৮ শতাংশ। বড় বড় শহরের কয়েকটি কলেজ ছাড়া বেশির ভাগ সরকারি কলেজেই শিক্ষক সংকট রয়েছে।

এমএইচএম/এমএআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]