পদোন্নতিতে জটিলতা কাটল মাধ্যমিকে কৃষি শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৩৭ এএম, ১৪ অক্টোবর ২০২০

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির জটিলতা কাটল। এ-সংক্রান্ত মামলা জটিলতার অবসান হওয়ায় বর্তমানে কৃষি বিষয়ে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের পদোন্নতি পেতে আর কোনো বাধা থাকছে না।

সূত্র জানায়, কৃষি শিক্ষকরা ১৯৯৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেলের ১৪তম গ্রেডে যোগদান করলেও ২০০৪ সাল থেকে তাদের পদটি আপগ্রেড করে অন্যান্য সহকারী শিক্ষকদের মতো ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। তাদের জ্যেষ্ঠতা ২০০৪ সাল থেকে বহাল রাখার মত দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কিন্তু তারা ১৯৯৫ সাল থেকে জ্যেষ্ঠতা দাবি করেছিলেন। এ-সংক্রান্ত মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া মতামতকে বহাল রেখেছেন প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল।

দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে সরকারি স্কুল শিক্ষকদের পদোন্নতি। নতুন নিয়োগ বিধিমালা অনুসারে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০ শতাংশ সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হবে বলে ২০১৮ সালে ঘোষণা দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পদোন্নতির প্রক্রিয়া অনেকটাই গুছিয়ে আনে মাউশি। ২০১৯ সালে ২৭ অক্টোরব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির খসড়া গ্রেডেশন তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় পাঁচ হাজার ৮৫৪ শিক্ষকের নাম ছিল। তালিকার অসঙ্গতি বা আপত্তি থাকলে গত ১৪ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন পাঠাতেও বলা হয়েছিল শিক্ষকদের। এরপর সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। কৃষি শিক্ষকরা পদোন্নতির তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা করেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত ছিল। মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। রায়ে জনপ্রাশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত বহাল রেখেছেন আদালত। অর্থাৎ কৃষি শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ২০০৪ সাল থেকে বহাল থাকছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘এ রায়ে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি বড় জটিলতার অবসান হয়েছে। আশা করি, সব পক্ষ আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান জানাবে। শিক্ষকদের পদোন্নতির কাজ দ্রুত শুরু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরকে অনুরোধ করছি।’

এমএইচএম/এসআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]