অনুমোদনহীন শ্রেণি শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি না করানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৮ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০২০

রাজধানী ঢাকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন শ্রেণি শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি না করার দাবি জানানো হয়েছে।

রোববার (১৫ নভেম্বর) অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্কুল-কলেজে অনুমোদনহীন শ্রেণি শাখায় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো যাবে না। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন রাজধানীর কতিপয় নামিদামি স্কুল সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজেরা ইচ্ছামতো বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও শ্রেণি শাখা খুলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করায় ও শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে বছরের পর বছর শিক্ষা বাণিজ্য চালিয়ে আসছে।

সেখানে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে সরকারের কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেই। অভিভাবক ফোরামের জরিপ মোতাবেক রাজধানীর বেশ কয়েকটি নামকরা স্কুলের প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শতশত শ্রেণি শাখার অনুমোদন নেই। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কাছে এ বিষয়ে ব্যাপক তথ্য থাকা উচিৎ। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সন্নিকটে অবস্থিত থাকা রাজধানীর এসব নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অবৈধভাবে সরকারের অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে।

এছাড়া অনুমোদনহীন ওইসব শাখার বিপরীতে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য করছে। অথচ এতে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা উপকৃত হচ্ছেন না। বরং এসব অবৈধ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতার জন্য মাসে মাসে অতিরিক্ত টিউশন ফি গুনতে হচ্ছে। তিনি সরকারি উদ্যোগে দ্রুত বেসরকারি স্কুলগুলোর অনুমোদনহীন শ্রেণি শাখাগুলো চিহ্নিত করে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, করোনাকালে স্কুলগুলো ৯ মাস ধরে বন্ধ আছে। করোনার কারণে এরই মধ্যে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। করোনাকালে স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় লটারির মাধ্যমে নতুন শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানোর দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিটি গঠন করে লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হোক। যেহেতু এ বছর অটো প্রমোশনে সব শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা উপরের শ্রেণিতে উঠবে, সেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো শ্রেণিতেই আসন খালি থাকবে না।

আসন খালি না থাকলে কোনো ক্লাসেই শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে না এ বিষয়টির প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এমএইচএম/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]