দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন ইবতেদায়ির শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৯ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০২০

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণসহ ৭ দাবিতে টানা অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন মাদরাসা শিক্ষকরা। রোববার (২২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ৮ দিনের মতো এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- কোডবিহীন মাদরাসাগুলোর বোর্ড কর্তৃক কোড নম্বরে অন্তর্ভুক্তকরণ, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন করে আলিম শিক্ষক একজনের পরিবর্তে এইচএসসি পাস একজন অন্তর্ভুক্তকরণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা অফিস সহায়ক নিয়োগ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের পিটিআই ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা, মাদরাসায় আসবাবপত্র প্রদানসহ ভবন নির্মাণ এবং স্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা।

অবস্থান কর্মসূচিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাজী ফয়েজুর রহমান বলেন, প্রতিদিনের মতো আমাদের লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট পালন চলছে। এর আগে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিমুখে পদযাত্রাসহ শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান ধর্মঘট চলবে।

সমিতির মহাসচিব মোখলেছুর রহমান বলেন, ১৯৭৮ অর্ডিন্যান্স ১৭ (২০) ধারা মোতাবেক মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হয়। রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পর থেকেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ধারা মোতাবেকে সব কার্যপরিচালিত করে আসছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণি শিক্ষার্থী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো সরকারের সব কাজে অংশগ্রহণ করে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এক হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে সর্বসাকুল্যে প্রধান শিক্ষক আড়াই হাজার ও সহকারী শিক্ষক দুই হাজার ৩০০ টাকা ভাতা পান। বাকি রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত মাদরাসাগুলোর শিক্ষকরা ৩৪ বছর ধরে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত, যা এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে অমানবিক, শিক্ষকদের অবমাননা ছাড়া কিছুই নয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, মাওলানা শাহজাহান, মাওনালা এ বি এম আব্দুল কুদ্দুস, মাস্টার মো. শওকত আলী, এ বি এম নাজিম উদ্দিন, আবু মূসা ভূঁইয়া, মুহা. বশির উল্লাহ আতাহারী, হাফেজ মাহমুদ, শামসুল আলম প্রমুখ।

এমএইচএম/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]