দেশসেরা অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও কলেজকে সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২১

২০২০ সালের দেশের বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (টিটিসি) মধ্যে সেরা শিক্ষক হয়েছেন পাঁচজন। তিনটি প্রতিষ্ঠানকে আদর্শ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। সম্প্রতি বেসরকারি টির্চাস ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে বর্ষসেরা অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজ নির্বাচন করে পুরস্কার তুলে দেয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বেসরকারি টির্চাস ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২০ সালের নির্বাচিত তিনজন অধ্যক্ষ, দুইজন শিক্ষক ও তিনটি সেরা প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়েছে।

সেরা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নোয়াখালী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ও ফাতিমা রহমান টির্চাস ট্রেনিং কলেজ রয়েছে। সেরা তিন অধ্যক্ষের মধ্যে ধানমন্ডির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম খান, কিশোরগঞ্জ টিচার্স টেনিং কলেজের সুলতানা সাজিদা ইয়াসমিন ও ময়মনসিংহের টিচার্স এডুকেশন কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষ মো. আবুল খায়ের এবং সেরা শিক্ষকদের মধ্যে বরগুনার লালমিয়া টিচার্স ট্রেনিং কলেজের উপাধ্যক্ষ বাসুদেব চন্দ্র রায়, ঢাকার ন্যাশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ মো. বাবুল হোসেনকে নির্বাচন করে সম্মাননা দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নের জন্য গত কয়েক বছর যাবত বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোর মধ্যে থেকে আদর্শ শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করে পুরস্কার তুলে দেয়া হচ্ছে। তার প্রেক্ষাপটে এবারো বার্ষিক সাধারণ সভার মাধ্যমে সেরাদের হাতে এই সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেয়া হলো। আশা করি এর মাধ্যমে বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের গুণগত মান আরও বৃদ্ধি পাবে।

বার্ষিক সাধারণ সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মানসম্পন্ন বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোকে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায়’ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এমপিও আন্দোলন ফোরামের মুখপাত্র ডক্টর খান বলেন, বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো প্রতিষ্ঠার প্রায় তিন দশক অতিক্রম করতে চলেছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রশিক্ষণ বেসরকারি টিটি কলেজ দিয়ে আসছে। অথচ দীর্ঘ ২৮ বছর যাবত বেসরকারি টিটি কলেজকে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায়’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কর্মরত শিক্ষকদের দেশ-বিদেশের ট্রেনিংয়ের আওতায় আনা হয়নি। যুগ যুগ ধরে বেসরকারি টিটিসিকে পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ জানান, করোনায় বাংলাদেশের সব পর্যায়ের শিক্ষকদের আর্থিক প্রণোদনায় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এ যাবত কোনো বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজকে করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ কারণে অনেক শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এমএইচএম/এআরএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]