ভিকারুননিসায় অধ্যক্ষের চেয়ারে জুনিয়রকে দায়িত্ব!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৯ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২১

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শারীরিক অসুস্থতার কারণে সাত দিনের ছুটিতে থাকায় তার পরিবর্তে একজন জুনিয়র শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের আদেশের নিয়মবহির্ভূতভাবে গভর্নিং বডির এমন সিদ্ধান্তে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাতিলে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডসহ বিভিন্ন স্থানে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠান থেকে জানা গেছে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন নাহার অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটিতে রয়েছেন। তিনি সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে যোগদান করার কথা রয়েছে। অথচ গতকাল রোববার (১৭ জানুয়ারি) কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক (কো-অর্ডিনেটর বিজ্ঞান বিভাগ) মাজেদা বেগমকে রুটিন দায়িত্ব দিয়ে অধ্যক্ষের পদে বসানো হয়েছে। এতে শিক্ষক-অভিভাবকরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন।

জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডেও ২০১১ সালের পরিপত্র অনুযায়ী যখন একজন অধ্যক্ষ ছুটি নেবেন তখন তার অধস্তন সিনিয়র শিক্ষককে অধ্যক্ষের রুটিন দায়িত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা একজন শিক্ষককে অধ্যক্ষের রুটিন দায়িত্বে বসিয়েছেন, যেটি আইনের নিয়মবহির্ভূত। শিক্ষা বোর্ডেও আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কাজের জন্য সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি ভেঙে দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে পরিপত্রে।

এ বিষয়ে গভর্নিং বডির সাবেক সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের এমন সিদ্ধান্ত আইনের নিয়মবহির্ভূত। তাই অভিভাবকের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি। দ্রুত এ সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্যও নোটিশে উল্লেখ করেছি।

এ বিষয়ে জানতে কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এমএইচএম/এসজে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]