গুচ্ছভর্তি পরীক্ষায় অধিক শিক্ষার্থীকে সুযোগ দেয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৯ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সমুন্নত রেখে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত যুক্তি-সঙ্গত বিষয়গুলো আমলে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতি তিনি এ আহ্বান জানান।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথমবর্ষে গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ২৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়াারি) ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান এ আহ্বান জানান।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের এবং সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান যুক্ত ছিলেন।

সভায় সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছভর্তি কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, প্রকৌশল গুচ্ছভর্তি কমিটির আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া বক্তৃতা করেন।

সভাপতির বক্তৃতায় ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের বিশালসংখ্যক মানুষ গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার দিকে তাকিয়ে আছে। ইউজিসি দেশবাসীকে সুন্দর একটি পরীক্ষা উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারলে গুচ্ছভর্তিতে সফলতা আসবে।

ইউজিসি সদস্য দিল আফরোজা বলেন, গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সুষ্ঠু ও প্রশ্নাতীতভাবে স্বচ্ছভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ। এজন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিতে দায়িত্বে থাকা উপাচার্যদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানান ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এটি করা না গেলে জিপিএ ৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থী ছাড়া কেউ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবেই চলছে। ইতোমধ্যে ৯টি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং সবোর্চ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আন্তরিকতার কমতি নেই।

এমএইচএম/এএএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]