টিকা পেয়েছেন প্রাথমিকের ৩ লক্ষাধিক শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৬ পিএম, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

প্রাথমিকের শিক্ষকদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ১০ হাজার ৩০০ জন করোনা টিকার দুটি ডোজ পেয়েছেন। আর কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৬৩ জন। সব মিলিয়ে ৮৫ শতাংশ টিকা পেয়েছেন।

এদিকে সারাদেশে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে মোট শিক্ষক রয়েছেন তিন লাখ ৬৫ হাজার ৭১২ জন। আর ১৬ হাজার ৭৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন।

শিক্ষকদের মধ্যে এখনো টিকার বাইরে রয়েছেন ৫৫ হাজার ৪১২ জন। আর কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে টিকা পাননি দুই হাজার ৪১১ জন। এদের মধ্যে অনেকে রেজিস্ট্রেশন করলেও টিকা পাননি। অনেকে আবার অসুস্থতার কারণে টিকা নিচ্ছেন না।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে তাদের টিকার আওতায় আনা হবে।

জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাগো নিউজকে বলেন, এ পর্যন্ত আমাদের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ টিকার আওতায় এসেছে। বাকি ১৫ শতাংশ গর্ভবতী, অসুস্থ ও অন্যান্য জটিলতার কারণে টিকা নেননি। তবে এ বিষয়ে আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সবাই টিকা নিতে পারবে। ১২ সেপ্টেম্বরের আগে প্রাথমিক শিক্ষার শতভাগ টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানান সচিব।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, বয়সভিত্তিক ধাপে ধাপে টিকা দেওয়ার কারণে এখনো ১৫ শতাংশ শিক্ষক-কর্মচারী টিকার বাইরে রয়েছে। তবে কোনো কোনো জেলায় ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী টিকার আওতায় এসেছেন। আমরা কড়া নির্দেশনা দিয়েছি যারা টিকা নিচ্ছেন না তার কারণসহ রিপোর্ট পাঠাতে।

এদিকে রোববার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণা আসে।

শুরুতে চলতি ও আগামী বছরের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছয়দিন আর অন্যান্য স্তরের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহের শুরুতে একদিন করে ক্লাস নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এ জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ১৯ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এমএইচএম/জেডএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]