কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন মানছে না: ইউজিসি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪৭ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান মানছে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ।

তিনি এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ ও সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান মেনে চলার আহ্বান জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যমান আইন ও বিধি অনুসরণ করছে না। ইউজিসির নির্দেশনা তারা দেখেও না দেখার ভান করে। বিদ্যমান আইন ও বিধি বাস্তবায়নে কমিশন প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউজিসির ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০, সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ ও ট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৮২’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের সদস্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুখ।

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, উপ-সচিব (লিগ্যাল) জেলা ও দায়রা জজ নূরনাহার বেগম শিউলী ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম।

প্রফেসর বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রথমদিকে এটিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় একটি বাস্তবতা। উচ্চ শিক্ষাক্ষেত্রে সরকার পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেখে না।

তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সংশ্লিষ্ট আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির নির্দেশনা শতভাগ অনুসরণে আহ্বান জানান।

ইউজিসির এই সদস্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণা পরিচালনা করা। গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান তৈরি করা। কিন্তু কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এসব কাজে অর্থ ব্যয় না করে বিধি বহির্ভূতভাবে অর্থ ব্যয় করছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এমএইচএম/জেডএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]