চিন্তার চাষের ৬ষ্ঠ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৬ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

স্কুলে শিক্ষার্থীরা গবেষণা করেছে কীভাবে বর্জ্য পানি পরিশোধন করা যায়। এজন্য তারা কেঁচো, কয়লা, কাঠের টুকরা, বালু, পাথর ব্যবহার করেছে। পরীক্ষা করে দেখেছে কোন পদ্ধতিতে বর্জ্য পানি পরিশোধন করে দ্রবীভূত অক্সিজেন ও মোট দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ সঠিক মাত্রায় থাকে।

কেউ কেউ দেখেছে কোন উৎস থেকে পানি খেলে তা শরীরের ক্যালসিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে। শুধু যে বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা করেছে তা নয়, তারা জীবন, সংস্কৃতি, ভাষা, শিক্ষা, সমাজ ও অর্থনীতি নিয়েও গবেষণা করেছে।

এরকম নানান গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়ছে ৬ষ্ঠ চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলনে। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী এই সম্মেলনে গবেষণাপত্র এবং ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

ক্ষুদে গবেষক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রয়াসন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসিনা খান।

তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে তথ্যভিত্তিক করার জন্য গবেষণা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। বর্তমানে উদ্ভাবনের পাশাপাশি উদ্ভাবক সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিচ্ছে। কারণ উদ্ভাবক জানে কীভাবে উদ্ভাবনকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো যায়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. সালেহ উদ্দীন আহমেদ।

তিনি বলেন, শুধু বিজ্ঞান নয়, সমাজ ও মানবজীবন নিয়েও গবেষণা প্রয়োজন। কৃষি গবেষণার উপর জোর দিতে হবে। এজন্য আমাদের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে যারা রয়েছেন তাদেরও এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. খালেদ মেসবাহুজ্জামান, অধ্যাপক ড. দুলাল দেবনাথ, অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, ড. মোবারক আহমেদ খান, এম. এম. আকাশ, ড. জেবা আই সেরাজ এবং ড. মো. মাহমুদুর রহমান।

উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চিন্তার চাষের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]