মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৩৫ পিএম, ০৬ অক্টোবর ২০২১

মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোট’।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলওয়ার হোসেন আজিজী।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭৩ দিনের শিক্ষক আন্দোলনের সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেটে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন, এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষকদের বেতন ৫০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায় উন্নীত করেন এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষকদের বেতন ১৫০ টাকায় উন্নীতকরণসহ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করে দেবো। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর আর এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণ দাবি পূরণ হয়নি।

তারা বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে আরও ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। বর্তমান সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৮ সালের জুলাই থেকে বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি ও ২০% বৈশাখী ভাতা দিয়ে আসছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে জাতীয়করণ করতে লাগবে ২৫% উৎসব ভাতাকে শতভাগ উন্নতীকরণ, জাতীয় বেতন স্কেলভিত্তিক ৪৫%-৫০% বাড়ি ভাড়া প্রদান এবং ৫০০ টাকার মাসিক চিকিৎসাভাতাকে ১৫০০ টাকায় উন্নতীকরণ।

এসব খাতে সরকারের বার্ষিক খরচ লাগবে ১৫০০ থেকে ২০০০ কোটি টাকা। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা নিলে প্রতি অর্থবছরের আয় হবে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। ফলে প্রতিবছরে বেতনখাতে শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ সরকারকে দিতে হবে না। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করতে বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন। এ সিদ্ধান্ত একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেই নেওয়া সম্ভব। তাই সরকার চাইলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুজিববর্ষেই জাতীয়করণ করতে পারেন।

মানববন্ধনে মহাজোটের সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন আহমদ মুজিববর্ষে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের দাবির পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন। অন্যদের মধ্যে তালুকদার আব্দুল মান্নাফ, মো. আফজালুর রশিদ, অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন, বেণীমাধব দেবনাথ, মেসবাহুল ইসলাম প্রিন্স, জসিম উদ্দিন শেখ, আবুল বাশার, আবুল বাশার নাদিম, খায়রুল বাশার, দিদার হোসেন, আবু তালেব সোহাগ, রাকিবুল হাসান রাসেল, দেবানন্দ বসু, মো. আলমগীর হোসেন, জাহিদ হাসান, ফয়সাল আজাদসহ বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলা থেকে আগত নেতারা বক্তব্য দেন।

বিএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]