উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের পাশে অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনাল

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:২৭ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২১

কার না মন চায় বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে। তবে এর জন্য ভালো প্রস্তুতিও দরকার। আইইএলটিএস জিআরই, স্যাট বা টোফেল করা, প্রয়োজনীয় ভাষা শেখা, দরকারি কাগজপত্র জোগাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন, স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ছাড়াও আছে নানা ঝামেলা। সামলাবেন কীভাবে?

এইচএসসি কিংবা স্নাতক শেষে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ভিনদেশে পাড়ি জমান অনেক শিক্ষার্থী। পড়াশোনার অনেক সুযোগ আছে বাইরের দেশগুলোতে। তবে দরকারি তথ্য না জানার কারণে যোগ্যতা থাকার পরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না অনেকে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরোনোর পর মেলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ।

সব তথ্য জানা থাকলে তা সামাল দেওয়া কঠিন নয়। অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনাল অত্যন্ত সুনাম ও ধারাবাহিক সফলতার সঙ্গে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চায় তাদের ভর্তি সহায়তা ও মাইগ্রেশন পরামর্শ প্রদান করছে। অভিজ্ঞ ও দক্ষ কাউন্সেলররা এই পরামর্শ সেবাগুলো বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নেপাল ও চীনের অফিসগুলো থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে দিয়ে যাচ্ছেন।

অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল গোফরান বলেন, ‘আমরা বিশ্বের প্রায় ৪০০-র উপর স্বনামধন্য ও প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে আস্থার সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করছি। আমাদের জন্মলগ্ন থেকে প্রায় ১০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে। এরা প্রধানত বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থী।’

তিনি যোগ করেন, ‘যে মূলমন্ত্র ধারণ করে আমরা সেবা-কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি তার কেন্দ্রেই রয়েছে আমাদের সম্মানিত ক্লাইয়েন্টদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক পরামর্শ প্রদান করা। বর্তমানে আমাদের শিক্ষার্থীরা মূলত পাঁচটি দেশে (অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইউকে, ইউএসএ ও মালয়েশিয়া) পড়াশুনা করছে।’

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত অভিনেত্রী ঈশানা প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ মার্কেটিং এবং স্টুডেন্ট রিক্রুয়েটমেন্ট পদে কর্মরত। তিনি বলেন, ‘এই সফলতার পিছনে রয়েছে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য কাঙ্ক্ষিত স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা ও দ্রুত ভিসা প্রাপ্তিতে পূর্ণ সহায়তা করা। আমাদের অভিজ্ঞ ও বন্ধুসুলভ পরামর্শকরা এই পুরো প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন। অভিভাবকদের মানসিক প্রশান্তি ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাই আমাদের কাউন্সিলরদের মূল প্রচেষ্টা।’

অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনালের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অত্যাধুনিক কোর্স সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানানো, যা তাদের ভবিষ্যত ক্যারিয়ারকে এগিয়ে রাখবে; উল্লেখ করেন চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল গোফরান।

এলএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]