শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডির জন্য ৪ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৪ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০২২

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি ‘ইউনিক আইডি’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে ইউনিক আইডির ডাটা অ্যান্ট্রি। যা চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ইউনিক আইডির ডাটা অ্যান্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

নির্দেশনাসমূহ:
১. ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের তথ্যফরম পূরণ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

২. মুদ্রিত শিক্ষার্থী তথ্যছকে শিক্ষার্থীর শ্রেণি অনুযায়ী ডাটা অ্যান্ট্রি (Data Entry) করতে হবে। অর্থাৎ ফরমে শিক্ষার্থীদের যে শ্রেণি উল্লেখ রয়েছে সেই শ্রেণি হিসেবেই ডাটা অ্যান্ট্রি দিতে হবে। সব শিক্ষার্থীর তথ্য ২০২১ সাল বিবেচনা করে অ্যান্ট্রি করতে হবে।

৩. শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/অভিভাবকের জন্ম নিবন্ধন থাকলে অবশ্যই ১৭ ডিজিটে দিতে হবে। অর্থাৎ ১৩ ডিজিটের নম্বরের শুরুতে জন্ম সাল দিতে হবে।

৪. শিক্ষার্থীর বিআরএন (BRN) এবং জন্ম তারিখ অ্যান্টির পর নাম প্রদর্শিত না হলে অন্যান্য তথ্য অ্যান্ট্রি দেওয়া যাবে না এবং প্রথম পাতা সেভ হবে না।

ইউনিক আইডি কেন:
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য এ ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে ইউনিক আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

এমএইচএম/এমকেআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]