প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা কমিটিতে পরিবর্তন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৯ পিএম, ১৯ মে ২০২২
ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নির্ধারিত কমিটিতে কিছুটা সংশোধন আনা হয়েছে। এতে জেলা পর্যায়ে একজন বিদ্বান/বিদ্যোৎসাহী বা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রাখা হলেও সেটি পরিবর্তন করে নতুন সদস্যকে যুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৯ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রাথমিক শিক্ষক নির্বাচন কমিটির ১২৬তম সভার সুপারিশ মোতাবেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি জারি করা নির্দেশনায় আশিংক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্থানীয় প্রতিনিধি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) প্রতিনিধির সঙ্গে স্ব-স্ব জেলার একজন বিদ্বান/বিদ্যোৎসাহী/অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক (ডিপিই থেকে মনোনীত) প্রতিনিধি দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে সেটি পরিবর্তন করে জেলা সদরের পিটিআই, সুপারিনটেনডেন্টকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, গত ১২ মে ৪৫ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০’ -এর প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ২২ জেলার ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় যেসব প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে ডিপিই। এতে বলা হয়, প্রার্থীকে আসল সনদসহ অনলাইনে আবেদনের জন্য আপলোড করা ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদ, স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ পোষ্য সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কমপক্ষে নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তাকে দিয়ে সত্যায়িত করতে হবে। পরে এসব সত্যায়িত কপি আগামী ২৩ মে’র মধ্যে (অফিস চলাকালীন) স্ব-স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবশ্যিকভাবে জমা দিয়ে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি (সত্যায়িত) জমা দেওয়ার সময় ওইসব কাগজপত্রের মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখাতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীরা ২৩ মে’র মধ্যে উল্লেখিত কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের মৌখিক পরীক্ষার কার্ড ইস্যু করা হবে না।

মৌখিক পরীক্ষার সময় উল্লেখিত সনদপত্র, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে আনতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরে জানানো হবে এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এমএইচএম/কেএসআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]