এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনে নামছেন কারিগরি শিক্ষকরা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১৪ পিএম, ২১ জুন ২০২২

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশে নিয়োগ পেয়েও গত পাঁচ মাসে এমপিওভুক্ত হননি কারিগরি শিক্ষকরা।

এ কারণে বুধবার (২২ জুন) কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি পালন করবেন তারা। এতে তাদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তীতে লাগাতার আন্দোলন দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

মঙ্গলবার (২১ জুন) কারিগরি অধিদপ্তরের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ফোরামের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে মোট এক হাজার ৫০০ জন শিক্ষক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাত শতাধিক শিক্ষক অধিদপ্তরে এমপিওভুক্তির জন্য ফাইল জমা দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা জারি হয়নি। এ দাবিতে গত ১০ এপ্রিল অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষকরা। এরপর তাদের দাবি বাস্তবায়নে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে দেওয়া হয় স্মারকলিপি। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কারিগরি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির দাবিতে গত ২৬ এপ্রিল ফোরামের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। যারা ফেব্রুয়ারি মাসে ফাইল জমা দিয়েছেন তাদের বেতন ঈদুল ফিতরের আগে এবং মে মাসে আরও শিক্ষকের এমপিও প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। একই সঙ্গে গত ১২ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়।

ফোরামের একাধিক নেতা জাগো নিউজকে বলেন, ২০২২ সালের অর্ধেক সময় অতিক্রম হয়ে গেলেও এ পর্যন্ত যোগদান করা শিক্ষকদের মধ্যে মাত্র ৬০০ জনের ফাইল সমাধান হয়েছে। আর নতুনদের সমাধানের খবর নেই। অথচ মাদরাসা ও জেনারেল অধিদপ্তরে এক মাসেই আট থেকে ১০ হাজার নতুন এমপিওর আওতায় এসেছে। এটা লজ্জাজনক, বিরক্তিকর ও কষ্টদায়ক।

কারিগরি শিক্ষকরা জানান, তাদের অধিকাংশ শিক্ষক আগের চাকরি ছেড়ে নিজ জেলা থেকে ৩০০-৪০০ কিলোমিটার দূরের প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। পাঁচ মাসেও তারা বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

এমএইচএম/জেডএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]