প্রাথমিকের শিক্ষক গোপনে বদলি হয়নি, দাবি অধিদপ্তরের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০০ পিএম, ২১ জুন ২০২২
ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন উঠেছে। সদ্য বিদায়ী মহাপরিচালক অবসরে যাওয়ার শেষ কর্মদিবসে শিক্ষক বদলির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন। তবে বদলি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও গোপনে কোনো শিক্ষককে বদলি করা হয়নি বলে দাবি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

মঙ্গলবার (২১ জুন) ডিপিই’র পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনীষ চাকমা স্বক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে এ দাবি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করার প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সে কারণে ২০২০ সালের ২৫ অক্টোর একটি নির্দেশনার মাধ্যমে সব প্রকার শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। বর্তমানে স্বাভাবিক সময়ের ন্যায় বিদ্যালয় চালু হওয়ায় শিক্ষক বদলি বন্ধের আদেশটি গত ১৩ জুন প্রত্যাহার করা হয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নির্দেশিকা-২০০৮ (সংশোধিত) অনুসারে সহকারী শিক্ষকদের বদলির কার্যক্রম প্রতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চে সম্পন্ন হয়ে থাকে। একই নির্দেশিকা অনুসরণ করে প্রধান শিক্ষকদেরও বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে থাকে। এ নির্দেশিকার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অধিদপ্তর থেকে গোপনে কোনো বদলীর আদেশ জারি করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ডিপিই’র একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, সদ্য বিদায়ী মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলমের শেষ কার্যদিবসে শিক্ষক বদলির স্থগিত আদেশ বাতিল করে তার নিজস্ব কয়েকজন শিক্ষককে চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বদলি করা হয়েছে। এটি নিয়ে ডিপিই’র শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিষয়টিতে বর্তমানে চলতি দায়িত্বে থাকা মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ, পরিচালক মনীষ চাকমা জড়িত রয়েছেন। সে কারণে বদলি সংক্রান্ত সব কাগজপত্র গোপন রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনীষ চাকমা কিছু বলতে রাজি হননি।

এমএইচএম/কেএসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]