দাবি পূরণের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করলেন কারিগরি শিক্ষকরা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ২২ জুন ২০২২
এমপিওভুক্তির দাবিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা

এমপিওভুক্তির দাবিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া কারিগরি শিক্ষকরা। তবে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দাবি পূরণের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

বুধবার (২২ জুন) মিরপুরের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষকরা একত্রিত হয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন। পরে দাবি পূরণের আশ্বাস পেলে তারা আন্দোলন স্থগিত করেন।

শিক্ষক নেতারা জানান, গত পাঁচ মাস আগে এনটিআরসিএ’র সুপারিশে নিয়োগ পেলেও এখনো তাদের এমপিওভুক্তি দেওয়া হয়নি। এমপিওভুক্তির দাবিতে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকরা সমাবেত হয়ে মানববন্ধন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালককে স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও তাতে সাড়া মেলেনি। সে কারণে বাধ্য হয়ে শিক্ষকরা অধিদপ্তরে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন ও পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

তারা জানান, বুধবার বিকেলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আমাদের পাঁচজন শিক্ষককে ডেকে নিয়ে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। তার এ আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। একই সঙ্গে কারিগরি অধিদপ্তরের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়ে ঈদের আগে ন্যূনতম ৫০০ জনকে এমপিওভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়াও আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এনটিআরসিএ’র নিয়োগপ্রাপ্ত সব শিক্ষকের এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শেষ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষকরা জাগো নিউজকে বলেন, ২০২২ সালের অর্ধেক সময় অতিক্রম হয়ে গেলেও এ পর্যন্ত যোগদান করা শিক্ষকদের মধ্যে মাত্র ৬০০ জনের এমপিওভুক্তির ফাইল সমাধান হয়েছে। আর এনটিআরসিএ’র তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যোগদান করা নতুনদের সমাধানের খবর নেই। অথচ মাদরাসা ও জেনারেল অধিদপ্তরে এক মাসেই আট থেকে ১০ হাজার শিক্ষক এমপিও’র আওতায় এসেছেন।

কারিগরি শিক্ষকরা জানান, তাদের অধিকাংশ শিক্ষক আগের চাকরি ছেড়ে নিজ জেলা থেকে ৩০০-৪০০ কিলোমিটার দূরের প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। পাঁচ মাসেও তারা বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সে কারণে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

এমএইচএম/কেএসআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]