সেবা নিতে এসে কেউ যেন বিমুখ না হন: শিক্ষামন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০২ পিএম, ২৬ জুন ২০২২
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ অন্যরা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবার মান বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একজন সেবাগ্রহীতাও যেন বিমুখ না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোবাবর (২৬ জুন) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সঙ্গে অধীনস্থ ২৩টি অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীকের সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেবার মান বাড়াতে হবে। কোনো সেবাগ্রহীতা যেন আমাদের কাছ থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে না যান। যদি সেবাগ্রহীতার কাজ করে দেওয়া সম্ভব নাও হয়, তবুও তিনি যেন তৃপ্তি নিয়ে ফিরতে পারেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘হাই লেভেল এসেসমেন্ট হলো’ ন্যূনতম মানদণ্ড। এতে সন্তুষ্ট হলে চলবে না। নাগরিকসেবা উন্নত হচ্ছে না। যারা প্রান্তিক পর্যায়ের সেবাগ্রহীতা, তারা সেবা পাচ্ছেন না। উচ্চপর্যায়ের পুরস্কার পেলেই জনগণের চিন্তাভাবনা ইতিবাচক হবে, তা নয়। আমাদের সেবা সম্পর্কে পাবলিক পারসেপশন এখনো ভালো না। আমরা ভোগান্তিহীন সেবা দিতে পারছি না। জেলা ও উপজেলার শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের বাজেট বাড়ছে কিন্তু সেবার মান বাড়ছে না। অর্থ অনেক খরচ হচ্ছে অথচ প্রভাবমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে পারছি না। প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপ্রিএ) চূড়ান্ত মূল্যায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। তবে শিক্ষা সেক্টরে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে পাবলিক পারসেপশন ভালো না থাকায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী সেবার মান বাড়াতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নির্দেশ দেন।

এসময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, কিছুদিন আগে আমরা প্রধান শিক্ষক পদে ২৩৩ জনকে পদোন্নতি দিয়েছি। এই পদোন্নতির জন্য আমরা ছাড়পত্র পেয়েছিলাম গত বছরের ডিসেম্বরে। আমরা যদি জানুয়ারিতে পদোন্নতি দিয়ে দিতাম কোনো সমস্যা ছিল না। এতে কোনো বাধা ছিল না আমাদের। আমরা দিতে দেরি করায় আটজন মারা গেছেন, ২৪ জন পিআরএল এ গেছেন। শেষ পর্যন্ত যখন প্রস্তাব পাঠাই তখন আরও একজন পিআরএল এ চলে যান। আমার মনে হয়, তাদের এ ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করায় আমাদের আল্লার কাছে জবাব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আগে আত্মসমালোচনা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

এমএইচএম/ইএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]