‘শিক্ষকদের মর্যাদা না দিলে জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৮ পিএম, ৩০ জুন ২০২২

শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা না দিলে জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে বলে সতর্ক করেছেন শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবী নেতারা।

সাম্প্রতিক শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে এক আলোচনা সভায় এমন কথা বলেন তারা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এই সভার আয়োজন করে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বিশেষ অতিথি পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব প্রফেসর কামরুল হাসান খান, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, মাউশির সাবেক ডিজি প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি আশুলিয়ায় কলেজশিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যা ও নড়াইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার সরকারের লাঞ্ছিতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষকরা সবচেয়ে শ্রদ্ধার পাত্র। প্রধানমন্ত্রী দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, জাতিকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে শিক্ষকদের মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষককে হত্যা, ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কলেজ অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা পরানোর মধ্য দিয়ে জাতির দৈন্যতাই প্রকাশ পেয়েছে।

পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব কামরুল হাসান খান বলেন, আমলাদের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি দেশে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জাতি বিনির্মাণের কারিগর শিক্ষকদের উপেক্ষিত রেখে জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, আবহমান বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি আজ হুমকির সম্মুখীন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হলে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে হবে।

এমএইচএম/জেডএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]