বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ইংরেজি দক্ষতা বাড়াতে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫০ পিএম, ০৩ আগস্ট ২০২২
ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালকের সঙ্গে ইউজিসি সদস্যদের বৈঠক/ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা করার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

পাশাপাশি নিজস্ব জনবল তৈরির উদ্যোগ হিসেবে ইংরেজি ভাষার ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হবে। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে শিগগির একটি সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি।

বুধবার (৩ আগস্ট) ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালক (এডুকেশন) ডেভিড মেনার্ডের সঙ্গে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন তারা। এসময় ইউজিসি সদস্য বিশ্বজিৎ চন্দ এ তথ্য জানান।

বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘চলতি বছরের অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য চার মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা করছে ইউজিসি। ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন হাজার প্রভাষককে পর্যায়ক্রমে একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি ও মাস্টার ট্রেইনার তৈরির উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালককে আহ্বান জানান। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকরা দক্ষভাবে ইংরেজি ভাষার চারটি ক্ষেত্র- পড়া, লেখা, শোনা ও বলা এবং উপস্থাপনা ও যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন বলেও আশা করেন তিনি।

ইউজিসি সদস্য বলেন, ‘এ একাডেমির আওতায় ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বিজনেস কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’

সভায় ডেভিড মেনার্ড আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কিউএস র‌্যাংকিংয়ের আদলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নিজস্ব র‌্যাংকিং ব্যবস্থা, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি চালু ও স্মার্ট উপকরণ ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

এর প্রেক্ষিতে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘র‌্যাংকিংয়ের জন্য ইউজিসি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছে। এছাড়া দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব শ্রেণিকক্ষ স্মার্ট করা হবে। এছাড়া পাঠদান আনন্দদায়ক করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

সভায় ইউজিসি ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচএম/এএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]