জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মমুখী ১৯ শর্ট কোর্স নিয়ে কর্মশালা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৯ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩
ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষতাভিত্তিক ১৯টি শর্ট কোর্স প্রবর্তন নিয়ে ‘স্কিল বেইজড শর্ট কোর্সেস অ্যান্ড কারিকুলাম’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সভাপতির বক্তব্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি গড়তে প্রথিতযশা শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন। তাদের সবার সমন্বয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারলেই আমাদের মূললক্ষ্য অর্জিত হবে। এ কারণেই আমরা দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিতে অনার্স এবং ডিগ্রি পর্যায়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা (পিজিডি) ও শর্ট কোর্স চালুর উদ্যোগ নিয়েছি।’

‘এরই মধ্যে পিজিডি কোর্সের সিলেবাস অনুমোদন হয়েছে। আগামী মার্চ মাস থেকে এ কোর্সের কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয় বিশেষজ্ঞরা এ কোর্সগুলো প্রণয়ন করেছেন। ১৯টি শর্ট কোর্স আমরা প্রবর্তন করতে যাচ্ছি। এর মধ্য থেকে দু/একটি বাধ্যতামূলক করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে। তারা নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ হবে। যেমনটি, আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ইতিহাস চেতনার সঙ্গে উন্নয়নের সম্পর্ক আছে। ইতিহাস জানার মধ্যদিয়ে প্রকৃত উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহীত হতে পারে। ইতিহাস চর্চা শুধু একটি লিবারেল আর্টস, এটি উন্নয়নের সোপান। প্রকৃত উন্নয়ন সাধন করতে হলে ইতিহাসের অনুসন্ধান প্রয়োজন। ঠিক তেমনি করে প্রযুক্তিজ্ঞান, সফ্ট স্কিল এখন আর যেকোনো একটি ডিসিপ্লিনের অংশ হতে পারে না। প্রযুক্তিজ্ঞান ও সফ্ট স্কিলের দক্ষতা অর্জন এখন প্রতিটি মানুষের জীবনের অঙ্গ। প্রযুক্তি এখন মানুষের দর্শনের অংশ।

এমএইচএম/এমএএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।