বাঙালি মুসলমানদের এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন খান বাহাদুর

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ঢাবি
প্রকাশিত: ১২:৩০ এএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

 

বাঙালি জাতিসত্তার সবগুলো উপকরণই খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লার জীবনচর্চার সঙ্গে মিশে আছে। শিক্ষাদীক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমানদের সামনে এগিয়ে নিতে তিনি কাজ করে গেছেন। বাংলা ভাষা ‘হিন্দু না মুসলিমের’ এ বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি ঘোষণা করেছেন যে বঙ্গীয় মুসলিম সমাজের উন্নতির জন্য বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনা করতে হবে।

শনিবার বিকেল ৪টায় অমর একুশে বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শফিউল আলম। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মো. মনিরুল ইসলাম ও সরকার আবদুল মান্নান। সভাপতিত্ব করেন কাজী রফিকুল আলম।

প্রাবন্ধিক বলেন, উনিশ শতকের যে কয়েকজন খ্যাতি-কীর্তি মুসলমানের জন্ম হয়েছিল তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য খান বাহাদুর আহছানউল্লা। তিনি বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ইতিহাসে যেমন অনন্য পুরুষ, তেমনি স্ব-সম্প্রদায়ের ভেতরে সাধারণ শিক্ষার প্রসারকল্পে তার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য।

তিনি বলেন, খান বাহাদুর আহছান উল্লার সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনকে নানাভাবে দেখা যায়- শিক্ষাবিদ, শিক্ষাসংস্কারক, পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা, সাহিত্যিক, ধর্মবেত্তা, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক সৃজনশীল মানুষ-এ রকম নানাভাবে তাকে চিহ্নিত করা যায়।

সভাপতির বক্তব্যে কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা সংস্কার ও প্রসারে খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা যে অবদান রেখে গেছেন তা আমাদের স্মরণে রাখতে হবে। আহ্ছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি মানবসেবার অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সুজিত মোস্তফা, এ কে এম শহীদ কবীর পলাশ। যন্ত্রে ছিলেন পিনু সেন দাস (তবলা), রবিনস্ চৌধুরী (কী-বোর্ড), এবং ফিরোজ খান (সেতার)।

এমএইচ/এমআরএম/এআরএস

আপনার মতামত লিখুন :